ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

মাধবপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া বাজারে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে শাহজীবাজার সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রোববার দুপুরে নোয়াপাড়া বাজারে ইটাখোলা মুড়াপাড়া ও ব্যাঙ্গালোর গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর আগে শনিবার রাতে মুড়াপাড়া গ্রামের বকুল মেম্বারের এক ভাতিজার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ব্যাঙ্গাডোবা গ্রামের নুর মিয়া সরদারের এক স্বজনের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রোববার দুপুরে দুই গ্রামের শত শত মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে নোয়াপাড়া বাজারে জড়ো হয়।

এক পর্যায়ে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের একজন চিকিৎসক জানান, আহত হয়ে এ পর্যন্ত ১৫ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছেন।

সংঘর্ষের সময় নোয়াপাড়া বাজারে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দোকানপাট বন্ধ করে দেন এবং কয়েকটি দোকানে হামলার ঘটনাও ঘটে।

খবর পেয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পরে শাহজীবাজার সেনা ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা সেখানে পৌঁছালে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে আসে।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল জানান যে বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা চলছে। ওসি সহিদ উল্যা বলেন, “পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এরপরও নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে এবং বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

মাধবপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক

আপডেট সময় ০৬:০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া বাজারে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে শাহজীবাজার সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রোববার দুপুরে নোয়াপাড়া বাজারে ইটাখোলা মুড়াপাড়া ও ব্যাঙ্গালোর গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এর আগে শনিবার রাতে মুড়াপাড়া গ্রামের বকুল মেম্বারের এক ভাতিজার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ব্যাঙ্গাডোবা গ্রামের নুর মিয়া সরদারের এক স্বজনের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রোববার দুপুরে দুই গ্রামের শত শত মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে নোয়াপাড়া বাজারে জড়ো হয়।

এক পর্যায়ে ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের একজন চিকিৎসক জানান, আহত হয়ে এ পর্যন্ত ১৫ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছেন।

সংঘর্ষের সময় নোয়াপাড়া বাজারে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দোকানপাট বন্ধ করে দেন এবং কয়েকটি দোকানে হামলার ঘটনাও ঘটে।

খবর পেয়ে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পরে শাহজীবাজার সেনা ক্যাম্পের সেনাসদস্যরা সেখানে পৌঁছালে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে আসে।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল জানান যে বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের সঙ্গে নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা চলছে। ওসি সহিদ উল্যা বলেন, “পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। এরপরও নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে এবং বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।”