ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি Logo তৃতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন রাশেদা বেগম হীরা Logo লাখাইয়ে ইয়াবাসহ ২ গ্রেফতার, পালিয়েছে মূলহোতা জুমেল Logo সাংবাদিক জিল্লুরের স্ত্রী ফাহমিদা হক পেলেন বিএনপির মনোনয়ন Logo সংসদে চা শ্রমিকদের ভিটাভূমির অধিকার নিশ্চিতের দাবি এমপি ফয়সলের Logo মাধবপুরে ৮৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন Logo লাখাইয়ে চুরির মোটরসাইকেল ও মোবাইলসহ যুবক আটক, পুলিশে সোপর্দ Logo সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা Logo অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে: নাহিদ ইসলাম Logo মজুদদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ডিসি-এসপিদের নির্দেশ

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

error:

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

আপডেট সময় ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।