ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

আপডেট সময় ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।