
বাংলার খবর ডেস্ক পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন দিনেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে হবিগঞ্জ ও ফরিদপুরের দুই এলাকার বাসিন্দারা। শনিবার সকালে পৃথক দুই ঘটনায় অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালসহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে এক কলেজছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, এ ঘটনাকে ঘিরে আব্দুর রব ও ফিরোজ মিয়ার পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার সকাল ১১টার দিকে সেই উত্তেজনা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন, যাদের বাহুবল ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার এবং এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসেজ পাঠানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, হাসান শেখ ও লিটন মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। শনিবার ঈদের নামাজ শেষে সেই বিরোধ নতুন করে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন এবং অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেয় এবং বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
ঈদের মতো আনন্দের দিনে এমন সহিংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















