
দায়িত্ব গ্রহণের পর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, যারা কোনো অন্যায় করেনি, তারা কোনোভাবেই হয়রানির শিকার হবে না; তবে প্রকৃত অপরাধীদের অবশ্যই প্রাপ্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, এই ট্রাইব্যুনালে যেসব ব্যক্তি বিচারের আওতায় রয়েছেন, তাদের জন্য সুস্পষ্ট বার্তা হলো—নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার হবে না। তবে যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, আইন অনুযায়ী তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, চলমান মামলাগুলো এবং ভবিষ্যতে যেসব মামলা বিচারের জন্য আসবে, সেগুলো পরিচালনায় তিনি সম্পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চভাবে প্রয়োগ করবেন এবং কোনো ব্যক্তির প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব না রেখে আইনের সীমার মধ্যেই বিচারকার্য পরিচালনা করবেন। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের পক্ষপাত বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমের গতি কমে যেতে পারে বা কোনো বিশেষ দলের আসামিরা সুবিধা পেতে পারে—এমন আলোচনা প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সরকারের লক্ষ্যই হলো বিচারিক কার্যক্রমের গতি আরও বাড়ানো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 















