ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি Logo তৃতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন রাশেদা বেগম হীরা Logo লাখাইয়ে ইয়াবাসহ ২ গ্রেফতার, পালিয়েছে মূলহোতা জুমেল Logo সাংবাদিক জিল্লুরের স্ত্রী ফাহমিদা হক পেলেন বিএনপির মনোনয়ন Logo সংসদে চা শ্রমিকদের ভিটাভূমির অধিকার নিশ্চিতের দাবি এমপি ফয়সলের Logo মাধবপুরে ৮৫০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন Logo লাখাইয়ে চুরির মোটরসাইকেল ও মোবাইলসহ যুবক আটক, পুলিশে সোপর্দ Logo সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা Logo অতীতে ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে: নাহিদ ইসলাম Logo মজুদদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ডিসি-এসপিদের নির্দেশ

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

error:

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১০:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।