ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন Logo দুপুরে ছাত্রলীগের মিছিলে অংশ, রাতেই গ্রেপ্তার নাসিরনগরের অনিক Logo তিন দিনের সরকারি সফরে হবিগঞ্জ আসছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo চুনারুঘাটে ভূমি বিষয়ক কর্মশালা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে নারীকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা Logo উন্নয়ন বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে: এমপি ফয়সল Logo মাধবপুরে সোনাই নদীতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু Logo লাখাইয়ে মিনিবাসের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে মিশুক, আহত ২ Logo মাধবপুরে সংরক্ষিত বন থেকে গাছ চুরি, ট্রাক্টরসহ আটক ২ Logo লাখাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে মালবাহী পিকআপ, আহত ৩

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

error:

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১০:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।