ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান: অপরাধী কাউকেই ছাড় নয়—বাহুবল ওসির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১০:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্র বাজার, সড়ক ও গ্রামীণ জনপদে চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কে রেখেছিল। তবে ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের ফলে এসব অপরাধী চক্র ভেঙে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় মিরপুর–শ্রীমঙ্গল সড়কে ডাকাতদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরবর্তীতে ওসি সাইফুল ইসলাম যোগদানের পর পুলিশের বিশেষ অভিযানে কামাইছড়া পাহাড়ি এলাকার ওই সড়ক এখন ডাকাতমুক্ত। ফলে প্রবাসফেরত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ রাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।

ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চোরাকারবারি ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাজার, হাট ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশও উন্নত হয়েছে।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা করা পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধী—যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাহুবলকে শান্তিপূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যোগদানের পর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা—অপরাধ দমনে এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে বাহুবল দ্রুতই একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত উপজেলায় পরিণত হবে।