ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

মাদকে ভাসছে মাধবপুর: পুলিশের শিথিলতায় বেপরোয়া তরুণ প্রজন্ম, বাড়ছে অপরাধ

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ নানা মরণঘাতী মাদক। অভিযোগ উঠেছে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশের কঠোর অবস্থান না থাকায় উঠতি বয়সের তরুণরা প্রতিযোগিতামূলকভাবে মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে অভিভাবকদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাধবপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর ও নোয়াপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সর্বাধিক। পুলিশের খাতায় প্রায় ৭০ জনের তালিকা থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা অনেক বেশি। মাদক সেবন ও ব্যবসা বৃদ্ধি পেলেও পুলিশের অভিযান রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। গত কয়েক মাসে থানা পুলিশ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে না পারলেও সেনাবাহিনীর অভিযানে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে।

মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত অক্টোবর মাসে ১৪টি মাদক মামলার মধ্যে পুলিশ ১০টি মামলা করলেও পরবর্তী মাসগুলোতে পুলিশের সক্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ৫টি মাদক মামলার মধ্যে একটিও মাধবপুর থানা বা ফাঁড়ির পুলিশ করতে পারেনি; সবকটি মামলা করেছে র‍্যাব ও বিজিবি। জানুয়ারি মাসে ৯টি মামলার মধ্যে পুলিশ মাত্র ৩টি মামলা করেছে। বিপরীতে বিজিবি, ডিবি ও র‍্যাবের অভিযানে সীমান্ত থেকে আসা ট্রাক ও সিএনজি ভর্তি মাদক আটক হচ্ছে।

মাদককে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও খুনের মতো অপরাধ বেড়ে চলেছে। সচেতন মহলের মতে, পুলিশের নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে মাদক বহন করতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হওয়ার ঘটনাও এলাকায় বেশ আলোচিত। এই মরণনেশা থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদক বিরোধী অভিযানে কঠোরতা আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

মাদকে ভাসছে মাধবপুর: পুলিশের শিথিলতায় বেপরোয়া তরুণ প্রজন্ম, বাড়ছে অপরাধ

আপডেট সময় ০৮:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ নানা মরণঘাতী মাদক। অভিযোগ উঠেছে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশের কঠোর অবস্থান না থাকায় উঠতি বয়সের তরুণরা প্রতিযোগিতামূলকভাবে মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে অভিভাবকদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাধবপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর ও নোয়াপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সর্বাধিক। পুলিশের খাতায় প্রায় ৭০ জনের তালিকা থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা অনেক বেশি। মাদক সেবন ও ব্যবসা বৃদ্ধি পেলেও পুলিশের অভিযান রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। গত কয়েক মাসে থানা পুলিশ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে না পারলেও সেনাবাহিনীর অভিযানে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে।

মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত অক্টোবর মাসে ১৪টি মাদক মামলার মধ্যে পুলিশ ১০টি মামলা করলেও পরবর্তী মাসগুলোতে পুলিশের সক্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ৫টি মাদক মামলার মধ্যে একটিও মাধবপুর থানা বা ফাঁড়ির পুলিশ করতে পারেনি; সবকটি মামলা করেছে র‍্যাব ও বিজিবি। জানুয়ারি মাসে ৯টি মামলার মধ্যে পুলিশ মাত্র ৩টি মামলা করেছে। বিপরীতে বিজিবি, ডিবি ও র‍্যাবের অভিযানে সীমান্ত থেকে আসা ট্রাক ও সিএনজি ভর্তি মাদক আটক হচ্ছে।

মাদককে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও খুনের মতো অপরাধ বেড়ে চলেছে। সচেতন মহলের মতে, পুলিশের নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে মাদক বহন করতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হওয়ার ঘটনাও এলাকায় বেশ আলোচিত। এই মরণনেশা থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদক বিরোধী অভিযানে কঠোরতা আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।