ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা Logo সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ Logo লাখাইয়ে বিএনপি নেতা ছুরে রহমানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ Logo লাখাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে অচলাবস্থা, সেবা না পেয়ে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

চা শ্রমিকদের কাণ্ডারি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর–চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের হাজারো শ্রমিকের কাছে আশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বিএনপি নেতা ও শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। চা শ্রমিকদের আর্থ–সামাজিক মুক্তির স্বপ্ন বুকে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন।

মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান এবং সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যুগের পর যুগ কঠোর পরিশ্রম করেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, যোগাযোগ ও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চা বাগান এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে চা শ্রমিকদের কর্মমুখী শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন তিনি। চা শ্রমিকদের সন্তানদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দারিদ্র্যচক্র ভাঙার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।

তেলিয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিক নেতা হেমন্ত পান বলেন, “চা বাগানের মানুষ এখনো উন্নয়নের মূল স্রোতে আসতে পারেনি। কিন্তু নোয়াপাড়ার কৃতি সন্তান সৈয়দ শাফকাত আহমেদ আমাদের সন্তানদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজের সুযোগ দিচ্ছেন। এতে অনেক শ্রমিক পরিবার স্বচ্ছল হয়েছে।”

আমু চা বাগানের নারী নেত্রী বিমলা সাঁওতাল বলেন, “সৈয়দ শাফকাত আহমেদ আমাদের মৌলিক সমস্যাগুলো হৃদয় দিয়ে বোঝেন। নিজের উদ্যোগে অনেক বেকার শ্রমিককে চাকরি দিয়েছেন। তিনি আমাদের সঙ্গে মাটিতে বসে খাবার খান—এটাই আমাদের কাছে বড় সম্মান।”

নোয়াপাড়া চা বাগানের সাবেক ইউপি সদস্য শ্যামল ব্যানার্জি বলেন, “আগে আমাদের ছেলে-মেয়েরা কোথাও কাজ পেত না। এখন শত শত শ্রমিক শিল্পকারখানায় কাজ করছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে। এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান সৈয়দ শাফকাত আহমেদের।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “আল্লাহ মানুষকে সমান মর্যাদা দিয়েছেন। মানুষকে ভালোবাসা ও পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। চা শ্রমিকরা পরিশ্রমী ও সৎ—সুযোগ পেলে তারাই দেশের বড় সম্পদ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন শুধু রাজনীতি নয়, এটি মানবিক দায়িত্ব। তাদের সন্তানদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে পুরো সমাজ বদলে যাবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা

error:

চা শ্রমিকদের কাণ্ডারি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ

আপডেট সময় ০৭:২৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর–চুনারুঘাট উপজেলার ২৩টি চা বাগানের হাজারো শ্রমিকের কাছে আশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বিএনপি নেতা ও শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। চা শ্রমিকদের আর্থ–সামাজিক মুক্তির স্বপ্ন বুকে ধারণ করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন।

মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান এবং সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। যুগের পর যুগ কঠোর পরিশ্রম করেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, যোগাযোগ ও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত চা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চা বাগান এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে চা শ্রমিকদের কর্মমুখী শিক্ষা ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন তিনি। চা শ্রমিকদের সন্তানদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দারিদ্র্যচক্র ভাঙার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।

তেলিয়াপাড়া চা বাগানের শ্রমিক নেতা হেমন্ত পান বলেন, “চা বাগানের মানুষ এখনো উন্নয়নের মূল স্রোতে আসতে পারেনি। কিন্তু নোয়াপাড়ার কৃতি সন্তান সৈয়দ শাফকাত আহমেদ আমাদের সন্তানদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজের সুযোগ দিচ্ছেন। এতে অনেক শ্রমিক পরিবার স্বচ্ছল হয়েছে।”

আমু চা বাগানের নারী নেত্রী বিমলা সাঁওতাল বলেন, “সৈয়দ শাফকাত আহমেদ আমাদের মৌলিক সমস্যাগুলো হৃদয় দিয়ে বোঝেন। নিজের উদ্যোগে অনেক বেকার শ্রমিককে চাকরি দিয়েছেন। তিনি আমাদের সঙ্গে মাটিতে বসে খাবার খান—এটাই আমাদের কাছে বড় সম্মান।”

নোয়াপাড়া চা বাগানের সাবেক ইউপি সদস্য শ্যামল ব্যানার্জি বলেন, “আগে আমাদের ছেলে-মেয়েরা কোথাও কাজ পেত না। এখন শত শত শ্রমিক শিল্পকারখানায় কাজ করছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে। এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান সৈয়দ শাফকাত আহমেদের।”

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “আল্লাহ মানুষকে সমান মর্যাদা দিয়েছেন। মানুষকে ভালোবাসা ও পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। চা শ্রমিকরা পরিশ্রমী ও সৎ—সুযোগ পেলে তারাই দেশের বড় সম্পদ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন শুধু রাজনীতি নয়, এটি মানবিক দায়িত্ব। তাদের সন্তানদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হলে পুরো সমাজ বদলে যাবে।”