ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

নোয়াপাড়ায় অপ্রীতিকর সংঘর্ষের ঘটনায় প্রবীণ মুরুব্বি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত

রায়হান আহমেদ সম্রাট, মাধবপুর উপজেলা সংবাদদাতা

নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ইটাখোলা–বেঙ্গাডোবা এলাকায় গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সংঘটিত একটি অপ্রীতিকর সংঘর্ষের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষের অংশগ্রহণে ইটাখোলা সাহেব বাড়ীতে একটি মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ঐতিহ্যবাহী ইটাখোলা সাহেব বাড়ীর সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সলের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মুরুব্বি ও যুব সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ তাঁর প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্মত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, “মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এ ইউনিয়নে বহু গুণী মানুষের জন্ম হয়েছে। এই এলাকার সুনাম ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি সবাইকে অতীতের অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ভুলে গিয়ে শান্তি ও ঐক্যের মাধ্যমে সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সুযোগ্য সন্তান সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং সায়হাম নিট কম্পোজিট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ সোহেল, সৈয়দ মোঃ শামীম, দিলু মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ লগুজ মিয়া, মোঃ বকুল মিয়া, শফিক মিয়াসহ ইটাখোলা ও বেঙ্গাডোবা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুরুব্বি ও যুবক।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

নোয়াপাড়ায় অপ্রীতিকর সংঘর্ষের ঘটনায় প্রবীণ মুরুব্বি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১১:৩৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

রায়হান আহমেদ সম্রাট, মাধবপুর উপজেলা সংবাদদাতা

নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ইটাখোলা–বেঙ্গাডোবা এলাকায় গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সংঘটিত একটি অপ্রীতিকর সংঘর্ষের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষের অংশগ্রহণে ইটাখোলা সাহেব বাড়ীতে একটি মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ঐতিহ্যবাহী ইটাখোলা সাহেব বাড়ীর সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সলের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মুরুব্বি ও যুব সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার একপর্যায়ে উভয় পক্ষ তাঁর প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সম্মত হয়।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, “মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। এ ইউনিয়নে বহু গুণী মানুষের জন্ম হয়েছে। এই এলাকার সুনাম ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি সবাইকে অতীতের অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ভুলে গিয়ে শান্তি ও ঐক্যের মাধ্যমে সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সুযোগ্য সন্তান সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং সায়হাম নিট কম্পোজিট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ সোহেল, সৈয়দ মোঃ শামীম, দিলু মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ লগুজ মিয়া, মোঃ বকুল মিয়া, শফিক মিয়াসহ ইটাখোলা ও বেঙ্গাডোবা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মুরুব্বি ও যুবক।