ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আপডেট সময় ১১:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।