ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল Logo ৩১ অক্টোবর মাধবপুরে গাউছিয়া খায়েরিয়া দরবার শরীফের ৭৫তম ওরশ ও দোয়া মাহফিল Logo মাধবপুরে গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ৫ কিলোমিটার যানজট Logo জুমার জামাতে ঐক্য, সমাজে বিভেদের দেয়াল Logo লাখাইয়ে বুল্লা সিংহগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিমকে বিদায় সংবর্ধনা Logo বিজয়নগরে কোটি টাকার ভারতীয় চোরাচালানী পণ্যসহ কাভার্ড ভ্যান আটক Logo বাহুবলে রান্নাঘরের মেঝে খুঁড়ে পদ্ম গোখরা উদ্ধার, সাতছড়িতে অবমুক্ত Logo রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড, দুইজনের যাবজ্জীবন Logo পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মজুরি না পেয়ে সংকটে হাজারো শ্রমিক Logo ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা: ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আপডেট সময় ১১:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।