
মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
পদ তৈরী হওয়ার আগেই মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দ্বায়িত্বে নিয়ে বসে আছে এক নার্স।
এতে করে মূল দ্বায়িত্বে ব্যাঘাত হওয়াসহ সেবা বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। এ নিয়ে ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে জনগনের মাঝে। অভিযোগ রয়েছে নিজের মূল দ্বায়িত্ব পালন না করে অতিরিক্ত দ্বায়িত্বকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিয়েই কর্মঘন্টা পার করছেন মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা তৃপ্তি রাণী মিস্ত্রি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের কোন কোন উপজেলায় নার্সিং সুপার ভাইজারের পদ সৃজন হলেও অদ্যাবধি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পদটি সৃজন হয়নি। তাছাড়া ওই পদের নিয়োগ প্রাপ্তির জন্য ৪ বছরের ডিপ্লোমা নার্সিং এর সাথে বিএসসি সনদ পাস করা বাধ্যতামূলক।
গত বছরের ১৯ মার্চ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক আদেশে দেওয়া হয়েছে ৪৫.০৩.০০০০.০০১.১৯.০০৯.২২.১০০৯ নং স্বারকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা তৃপ্তি রানী মিস্ত্রি কে সুপার ভাইজারের অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব হিসেবে আদেশ করা হয়েছে। যেখানে পদই সৃজন হয়নি সেখানে নিয়োগ দেওয়ায় হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, দ্বায়িত্ব পাওয়া ওই নার্স ৪ বছরের ডিপ্লোমাধারী, বিএসসি কোর্স সম্পন্ন হয়নি। কারসাজি করে এমন অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে আদেশ আনা চলমান দ্বায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।
নার্স তৃপ্তি রানী মিস্ত্রী জানান,আমাকে কোন পদ দেয়া হয়নি। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আমি সে টাই পালন করছি।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারে পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর থেকে অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে দেওয়া হয়েছে। আর এই পদায়নটি আমি যোগাদানের অনেক আগেই হয়েছে।
সিলেট বিভাগীয় নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর ভারপ্রাপ্ত
উপ পরিচালক জ্যোস্না রানী ঘোষ জানান, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তার পর ও বিষয় টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ###
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























