
বাংলার খবর ডেস্ক প্রবাসী সাংবাদিক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ইলিয়াস হোসেনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজটি অপসারণ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। প্রায় ২২ লাখ অনুসারী থাকা পেজটি শুক্রবার রাত থেকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার মধ্যে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের মতো শীর্ষ জাতীয় দৈনিকের কার্যালয়, পাশাপাশি ছায়ানট ও উদীচীর মতো সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও আলোচনায় আসে।
এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার রাতে ইলিয়াস হোসেন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একাধিক উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব পোস্টে সহিংসতা উসকে দেওয়ার মতো বক্তব্য ছিল। এর পরপরই শুক্রবার রাত থেকে তার ফেসবুক পেজটি আর দৃশ্যমান নেই।
এ বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী, সহিংসতা উসকে দেওয়া, ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানো কিংবা জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে পেজ বা অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
ইলিয়াস হোসেনের পেজ অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে মনে করছেন, সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগে মেটার এই পদক্ষেপ তাদের নীতিমালারই অংশ।
বাংলার খবর ডেস্ক : 





















