ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

লাখাইয়ে অফিস সহকারীর ঘুষ কেলেঙ্কারি: চাপের মুখে টাকা ফেরত

আপডেট সময় ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী শাহাদ আলী’র বিরুদ্ধে উপজেলার ৫৯ জন গ্রাম পুলিশের বেতন প্রদানের সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী গ্রাম পুলিশেরা জানান, শাহাদ আলী দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে ঘুষ আদায় করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক।

১২ নভেম্বর, বুধবার, অফিস সহকারী শাহাদ আলী ৫৯ জন গ্রাম পুলিশকে বেতন দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রাখেন বলে জানা যায়। গ্রাম পুলিশদের অভিযোগ, তিনি প্রায়ই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করেন এবং কাউকে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেন। ভয়ের কারণে এতদিন কেউ মুখ খোলেননি।

অভিযুক্ত শাহাদ আলী বলেন, “গ্রাম পুলিশগণ আমাকে ইচ্ছা করে টাকা দিয়েছে।” তবে কেন বেতন দেওয়ার সময় প্রতিজনের কাছ থেকে ১,০০০ টাকা করে রাখা হলো—এর জবাব তিনি দিতে পারেননি। তিনি জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিষয়টি জানার পর লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম দাস অনুপ বলেন, “আমি শাহাদ আলীর বিষয়টি জেনে গভীরভাবে দুঃখিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

পরদিন, ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে ইউএনও অনুপম দাস অনুপ দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তিনি প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশের দফাদারদের ডেকে এনে তাদের মাধ্যমে আদায় করা টাকাগুলো ফেরত দেন।

টাকা ফেরতের পর ইউএনও অনুপ বলেন, “বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে ওদের টাকা ফেরত দিয়েছি। তবে টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এই মানবিক ও দ্রুত পদক্ষেপে গ্রাম পুলিশেরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।