ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

মাধবপুরে সোনাই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের সোনাই নদীর সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বপালনকালে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান সংবাদ পান যে, চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনস্থ রাবার ড্রাম এলাকার দক্ষিণ পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ইজারাবিহীন অংশ থেকে কিছু লোক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

সংবাদ পাওয়ার পর তিনি অফিস সহায়ক মো. ইব্রাহীম আহাম্মদগুলিটন ও মো. শরীফ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, প্রায় ১৫-২০ জন লোক নদী থেকে বালু তুলছে। কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), মো. সোহেল মিয়া (৪৮), মো. শুভ মিয়া (২৫), মো. মাজহারুল ইসলাম (২৫), মো. শাকিল মিয়া (৩৩) ও মো. রনি মিয়া (৩২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে।

এ ঘটনায় মো. মজিবুর রহমান মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিয়মিতভাবে সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
> “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অভিযানের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

মাধবপুরে সোনাই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ১২:৫১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের সোনাই নদীর সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বপালনকালে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান সংবাদ পান যে, চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনস্থ রাবার ড্রাম এলাকার দক্ষিণ পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ইজারাবিহীন অংশ থেকে কিছু লোক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

সংবাদ পাওয়ার পর তিনি অফিস সহায়ক মো. ইব্রাহীম আহাম্মদগুলিটন ও মো. শরীফ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, প্রায় ১৫-২০ জন লোক নদী থেকে বালু তুলছে। কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), মো. সোহেল মিয়া (৪৮), মো. শুভ মিয়া (২৫), মো. মাজহারুল ইসলাম (২৫), মো. শাকিল মিয়া (৩৩) ও মো. রনি মিয়া (৩২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে।

এ ঘটনায় মো. মজিবুর রহমান মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিয়মিতভাবে সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
> “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অভিযানের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।”