ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

মাধবপুরে বালু নিলামে ৬০ লাখ টাকা গায়েব, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার বাংলার খবর: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সরকারি বালু নিলামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবলীগের নেতা হেলাল মিয়া এবং তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিলামে জেতার পর তিনি ৮৩ লাখ ১২ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ২৩ লাখ জমা দেন, বাকী প্রায় ৬০ লাখ টাকা জমা না দিয়ে যোগসাজশ করে বালু বিক্রি করেছেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জব্দ হওয়া সোনাই নদীর ১ লক্ষ ঘনফুট সিলিকা বালু নিলামে বিক্রির অনুমোদন দেন জেলা প্রশাসক। ৯ মার্চ তৎকালীন প্রকৌশলী শাহ আলম নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হন। বালু তিন ভাগে নিলাম হয়। এর মধ্যে যুবলীগ নেতা হেলাল মিয়া ২ নম্বর প্যাকেজ পান, যার মূল্য ৮৩ লাখ টাকার বেশি।

কিন্তু তিনি আংশিক টাকা জমা দিয়ে বাকী টাকা না দিয়েই প্রশাসনের জব্দকৃত বালুর সঙ্গে অবৈধভাবে আরও বালু উত্তোলন ও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীর চাচা পরিচয় ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব খাটাতেন এবং অবৈধ বালু ব্যবসা চালাতেন।

বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলী রেজা উন নবী জানিয়েছেন, এ ঘটনার কোনো নথি অফিসে নেই। শাহ আলম অবসরে যাওয়ার সময় সেগুলো জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে রেখেছিলেন। এ বিষয়ে সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলম দাবি করেন, হেলাল মিয়া পুরো টাকা না দেওয়ায় তাকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ বিন কাসেম বলেন, “এ সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।”

হেলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

মাধবপুরে বালু নিলামে ৬০ লাখ টাকা গায়েব, যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:১৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার বাংলার খবর: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সরকারি বালু নিলামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবলীগের নেতা হেলাল মিয়া এবং তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিলামে জেতার পর তিনি ৮৩ লাখ ১২ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ২৩ লাখ জমা দেন, বাকী প্রায় ৬০ লাখ টাকা জমা না দিয়ে যোগসাজশ করে বালু বিক্রি করেছেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জব্দ হওয়া সোনাই নদীর ১ লক্ষ ঘনফুট সিলিকা বালু নিলামে বিক্রির অনুমোদন দেন জেলা প্রশাসক। ৯ মার্চ তৎকালীন প্রকৌশলী শাহ আলম নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হন। বালু তিন ভাগে নিলাম হয়। এর মধ্যে যুবলীগ নেতা হেলাল মিয়া ২ নম্বর প্যাকেজ পান, যার মূল্য ৮৩ লাখ টাকার বেশি।

কিন্তু তিনি আংশিক টাকা জমা দিয়ে বাকী টাকা না দিয়েই প্রশাসনের জব্দকৃত বালুর সঙ্গে অবৈধভাবে আরও বালু উত্তোলন ও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীর চাচা পরিচয় ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব খাটাতেন এবং অবৈধ বালু ব্যবসা চালাতেন।

বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলী রেজা উন নবী জানিয়েছেন, এ ঘটনার কোনো নথি অফিসে নেই। শাহ আলম অবসরে যাওয়ার সময় সেগুলো জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে রেখেছিলেন। এ বিষয়ে সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলম দাবি করেন, হেলাল মিয়া পুরো টাকা না দেওয়ায় তাকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ বিন কাসেম বলেন, “এ সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।”

হেলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।