স্টাফ রিপোর্টার বাংলার খবর: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সরকারি বালু নিলামের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবলীগের নেতা হেলাল মিয়া এবং তৎকালীন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিলামে জেতার পর তিনি ৮৩ লাখ ১২ হাজার টাকার মধ্যে মাত্র ২৩ লাখ জমা দেন, বাকী প্রায় ৬০ লাখ টাকা জমা না দিয়ে যোগসাজশ করে বালু বিক্রি করেছেন।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জব্দ হওয়া সোনাই নদীর ১ লক্ষ ঘনফুট সিলিকা বালু নিলামে বিক্রির অনুমোদন দেন জেলা প্রশাসক। ৯ মার্চ তৎকালীন প্রকৌশলী শাহ আলম নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হন। বালু তিন ভাগে নিলাম হয়। এর মধ্যে যুবলীগ নেতা হেলাল মিয়া ২ নম্বর প্যাকেজ পান, যার মূল্য ৮৩ লাখ টাকার বেশি।
কিন্তু তিনি আংশিক টাকা জমা দিয়ে বাকী টাকা না দিয়েই প্রশাসনের জব্দকৃত বালুর সঙ্গে অবৈধভাবে আরও বালু উত্তোলন ও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীর চাচা পরিচয় ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব খাটাতেন এবং অবৈধ বালু ব্যবসা চালাতেন।
বর্তমান উপজেলা প্রকৌশলী রেজা উন নবী জানিয়েছেন, এ ঘটনার কোনো নথি অফিসে নেই। শাহ আলম অবসরে যাওয়ার সময় সেগুলো জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে রেখেছিলেন। এ বিষয়ে সাবেক প্রকৌশলী শাহ আলম দাবি করেন, হেলাল মিয়া পুরো টাকা না দেওয়ায় তাকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ বিন কাসেম বলেন, “এ সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।”
হেলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।