ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

বোনের জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি বিক্রির ঘোষণা লাখাইয়ের হাফেজ যুবায়ের

Oplus_16777216

বাংলার খবর ডেস্ক হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় বোনের জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার গোয়াকারা গ্রামের হাফেজ ও মাওলানা যুবায়ের রেজা আহমেদ। তার ছোট বোনের হার্টে ১১x১৬ মিমি আকারের একটি বড় ছিদ্র ধরা পড়েছে, যার জরুরি অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এই বিপুল অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে তিনি এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যুবায়ের লিখেছেন, “আমি একজন হাফেজ, একজন আলেম। সারা জীবন মানুষের ভালো চেয়েছি, এখন নিজেই সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছি। আমার ছোট্ট বোনটি গুরুতর অসুস্থ। অপারেশনের জন্য যে টাকা প্রয়োজন, তা আমার পক্ষে সংগ্রহ করা অসম্ভব।”

তিনি আরও লিখেছেন, “আমি কারও কাছে হাত পাততে পারি না। তাই নিজের শরীর থেকে একটি কিডনি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি — যেন আমার বোনটিকে বাঁচাতে পারি। যদি কেউ আমার কিডনিটি কিনে এই কঠিন সময়টিতে আমাকে সাহায্য করেন, তাহলে হয়তো আমার বোন বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না।”

মাওলানা যুবায়েরের রক্তের গ্রুপ A+। তিনি যোগাযোগের জন্য বিকাশ নম্বর (০১৮৮৯৪৫৯৮৫৮) প্রকাশ করেছেন। তিনি দেশের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার বোনের জীবন বাঁচাতে পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

ঘটনাটি গোটা এলাকায় মানবিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন হাফেজ ও আলেম যখন এমন অসহায় অবস্থায় পড়ে কিডনি বিক্রির মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন, তখন সমাজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন জাগে— আমরা কি সত্যিই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি?

আসুন, মানবতার এই পরীক্ষায় আমরা সবাই মিলে যুবায়েরের পাশে দাঁড়াই এবং তার ছোট বোনকে একটি নতুন জীবন উপহার দিই।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

বোনের জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি বিক্রির ঘোষণা লাখাইয়ের হাফেজ যুবায়ের

আপডেট সময় ০৯:০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় বোনের জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার গোয়াকারা গ্রামের হাফেজ ও মাওলানা যুবায়ের রেজা আহমেদ। তার ছোট বোনের হার্টে ১১x১৬ মিমি আকারের একটি বড় ছিদ্র ধরা পড়েছে, যার জরুরি অপারেশনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এই বিপুল অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে তিনি এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যুবায়ের লিখেছেন, “আমি একজন হাফেজ, একজন আলেম। সারা জীবন মানুষের ভালো চেয়েছি, এখন নিজেই সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছি। আমার ছোট্ট বোনটি গুরুতর অসুস্থ। অপারেশনের জন্য যে টাকা প্রয়োজন, তা আমার পক্ষে সংগ্রহ করা অসম্ভব।”

তিনি আরও লিখেছেন, “আমি কারও কাছে হাত পাততে পারি না। তাই নিজের শরীর থেকে একটি কিডনি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি — যেন আমার বোনটিকে বাঁচাতে পারি। যদি কেউ আমার কিডনিটি কিনে এই কঠিন সময়টিতে আমাকে সাহায্য করেন, তাহলে হয়তো আমার বোন বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না।”

মাওলানা যুবায়েরের রক্তের গ্রুপ A+। তিনি যোগাযোগের জন্য বিকাশ নম্বর (০১৮৮৯৪৫৯৮৫৮) প্রকাশ করেছেন। তিনি দেশের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তার বোনের জীবন বাঁচাতে পাশে দাঁড়ানোর জন্য।

ঘটনাটি গোটা এলাকায় মানবিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন হাফেজ ও আলেম যখন এমন অসহায় অবস্থায় পড়ে কিডনি বিক্রির মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন, তখন সমাজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন জাগে— আমরা কি সত্যিই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি?

আসুন, মানবতার এই পরীক্ষায় আমরা সবাই মিলে যুবায়েরের পাশে দাঁড়াই এবং তার ছোট বোনকে একটি নতুন জীবন উপহার দিই।