ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ কর্মী গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ Logo লাখাইয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১০ Logo সিংহগ্রামকে অসামাজিকতামুক্ত করার শপথ, ঈদের পর দিন বিশেষ পরামর্শ সভা Logo মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-পুরুষ ও শিশুসহ নিহত ৪ Logo কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে রেল যোগাযোগ বন্ধ, নিহত ১২ Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে অবৈধ বালু উত্তোলন, ২ ট্রাক্টর জব্দ, আটক ১ Logo হবিগঞ্জে ঈদের দিন ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ Logo মাধবপুরে ঈদেও রাইফেল হাতে সীমান্ত পাহারায় বিজিবি, দায়িত্বে অবিচল দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত Logo মাধবপুরে ২০ হাজার মুসল্লির ঈদের জামাত, আল-আরাফাহ ঈদগাহে অনন্য ধর্মীয় মিলনমেলা Logo লাখাইয়ে পাশবিকতার চরম রূপ: মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ৪ সন্তানের জননী, নেই কারো স্বীকৃতি

হঠাৎ ভারতীয় ঢলের পানিতে প্লাবিত নবীগঞ্জের গ্রামগুলো, আশ্রয় কেন্দ্রে ৩০ পরিবার

Oplus_131072

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:
টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত করেছে দীঘলবাক ইউনিয়নের গালিমপুর, মাধবপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। এতে অন্তত ৩০টি পরিবার গালিমপুর-মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মো. ফরিদুর রহমান প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে সরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার, নবীগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. কামরুজ্জামানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

আশ্রয় নেওয়া ৫০টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয় ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, চিনি, লবণ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়া গুঁড়াসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। এছাড়া, ৩ টন চাল ও ৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক ড. ফরিদুর রহমান বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেউ যেন দুর্যোগকালে অভুক্ত না থাকে তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে জানা গেছে, কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৮.৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। কসবা, আউশকান্দি ও ইনাতগঞ্জের কয়েকটি গ্রামও ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

নবীগঞ্জ ইউএনও রুহুল আমীন বলেন, “হঠাৎ করে ভারতীয় সীমান্ত থেকে নেমে আসা পানিতে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটি স্থানীয় বর্ষার পানি নয় বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪ কর্মী গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ

error:

হঠাৎ ভারতীয় ঢলের পানিতে প্লাবিত নবীগঞ্জের গ্রামগুলো, আশ্রয় কেন্দ্রে ৩০ পরিবার

আপডেট সময় ০৬:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:
টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত করেছে দীঘলবাক ইউনিয়নের গালিমপুর, মাধবপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। এতে অন্তত ৩০টি পরিবার গালিমপুর-মাধবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মো. ফরিদুর রহমান প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর মাঝে সরকারি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন দেলোয়ার, নবীগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. কামরুজ্জামানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

আশ্রয় নেওয়া ৫০টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয় ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, চিনি, লবণ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়া গুঁড়াসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। এছাড়া, ৩ টন চাল ও ৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক ড. ফরিদুর রহমান বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, কেউ যেন দুর্যোগকালে অভুক্ত না থাকে তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। যতদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে জানা গেছে, কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ৮.৫৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। কসবা, আউশকান্দি ও ইনাতগঞ্জের কয়েকটি গ্রামও ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

নবীগঞ্জ ইউএনও রুহুল আমীন বলেন, “হঠাৎ করে ভারতীয় সীমান্ত থেকে নেমে আসা পানিতে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটি স্থানীয় বর্ষার পানি নয় বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলছে।”