ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজপথের রাজনীতি থেকে সংসদে এম এ হান্নান, নাসিরনগরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নজর Logo নাসিরনগরের দোকানে শিশুরা কী খাচ্ছে, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা Logo অটোরিকশা চালক আরজান হত্যা: মোবাইল ফোনের সূত্রে রহস্যের জট খুলেছে পিবিআই Logo নাসিরনগরে জেলের জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি Logo মাদক ছেড়ে মাঠে চল—চৌমুহনীতে শুরু মিনি ফুটবল চ্যাম্পিয়নস লীগ Logo মাধবপুরে আগুনে পুড়ে ছাই দুই ভাইয়ের বসতঘর, ক্ষতি ৫০ লাখ টাকা Logo চুনারুঘাটে শরতের বিকেলে ‘বৈচিত্র্যের উৎসব’, পাহাড়-সমতলের সংস্কৃতির মিলনমেলা Logo হাইমচরে ইজিবাইক চুরির চেষ্টায় আটক ২ Logo লাখাইয়ে প্রথম ‘প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’ পেল কালাউক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফারদিন Logo সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি ইকবাল হোসেন

নাসিরনগরে জেলের জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতার জালের গুদামে আগুন লেগে প্রায় ১৪ লাখ টাকার জাল পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিবেশীরা গুদামে আগুন দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী বিনোদ দাস (৪৭) খাগালিয়া পূর্ব মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনি চিরদিয়া মগলাই ও চিকনদিয়া মেঘনা নদীর কুল জলমহালের ইজারাদার। তাঁর দাবি, চলতি বছর তিনি ৭ লাখ টাকা দিয়ে নতুন জাল কিনেছিলেন। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকার জাল নিজ বাড়ির গুদামে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।

শুক্রবার নাসিরনগর থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বিনোদ দাস বলেন, ঘটনার রাতে রাত ১২টার দিকে তিনি গুদামে তালা দিয়ে ঘুমাতে যান। রাত ১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে তাঁর স্ত্রী কবিতা রাণী দাস টয়লেটে যাওয়ার সময় গুদামে আগুন দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার করে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং কয়েকজনকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। তাঁদের সহায়তায় গুদামের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে গুদামে রাখা প্রায় সব জাল পুড়ে যায়।

লিখিত অভিযোগে একই গ্রামের ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন রামু দাস, রুবেল দাস, মনোরঞ্জন দাস, উত্তম দাস, অনন্ত দাস ও সুজন দাস। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিনোদ দাসের দাবি, জলমহালের ইজারা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পুরোনো বিরোধ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত বছর তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল। ভয়ে তখন থানায় অভিযোগ করেননি। এবার স্থানীয় মুরব্বি ও আত্মীয়দের সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে দেরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজপথের রাজনীতি থেকে সংসদে এম এ হান্নান, নাসিরনগরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নজর

error:

নাসিরনগরে জেলের জালের গুদামে আগুন, ১৪ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

আপডেট সময় ০১:১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নেতার জালের গুদামে আগুন লেগে প্রায় ১৪ লাখ টাকার জাল পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিবেশীরা গুদামে আগুন দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী বিনোদ দাস (৪৭) খাগালিয়া পূর্ব মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তিনি চিরদিয়া মগলাই ও চিকনদিয়া মেঘনা নদীর কুল জলমহালের ইজারাদার। তাঁর দাবি, চলতি বছর তিনি ৭ লাখ টাকা দিয়ে নতুন জাল কিনেছিলেন। নতুন ও পুরোনো মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ টাকার জাল নিজ বাড়ির গুদামে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।

শুক্রবার নাসিরনগর থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বিনোদ দাস বলেন, ঘটনার রাতে রাত ১২টার দিকে তিনি গুদামে তালা দিয়ে ঘুমাতে যান। রাত ১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে তাঁর স্ত্রী কবিতা রাণী দাস টয়লেটে যাওয়ার সময় গুদামে আগুন দেখতে পান। পরে তিনি চিৎকার করে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং কয়েকজনকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। তাঁদের সহায়তায় গুদামের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে গুদামে রাখা প্রায় সব জাল পুড়ে যায়।

লিখিত অভিযোগে একই গ্রামের ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন রামু দাস, রুবেল দাস, মনোরঞ্জন দাস, উত্তম দাস, অনন্ত দাস ও সুজন দাস। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিনোদ দাসের দাবি, জলমহালের ইজারা নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাঁর পুরোনো বিরোধ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত বছর তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল। ভয়ে তখন থানায় অভিযোগ করেননি। এবার স্থানীয় মুরব্বি ও আত্মীয়দের সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে থানায় অভিযোগ দিতে দেরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”