ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সততার অনন্য নজির: সরকারি কোষাগারে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিলেন লাখাইয়ের ইউএনও Logo মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ Logo জুলাই যোদ্ধাদের এবং শহীদদের জন্য লাখাই থানার দরজা সবসময় খোলা: ওসি শরীফ আহমেদ Logo লস্করপুরে বন্যাকবলিত ১৩০ পরিবারকে লাখাইয়ের তেঘরিয়া যুব সংসদের নগদ আর্থিক সহায়তা Logo মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন Logo দৈনিক প্রভাকর, দৈনিক হবিগঞ্জের বাণী ও বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ Logo হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে সিএনজি দুর্ঘটনা, আহত ২ Logo জামালপুরে ৩৯১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জামায়াতের সাবেক আমির কারাগারে Logo ফেসবুকে মন্তব্য করে স্ট্যান্ড রিলিজ হলেন মাধবপুরের সরকারি কর্মচারী Logo মাধবপুর থেকে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ

মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া উম্মেতুনেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

বুধবার (৫ আগস্ট) ইউএনও বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে অভিভাবকরা দাবি করেন, প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের যথাযথ হিসাব না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিয়ম করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাম্প্রতিক অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফি এবং মাসিক বেতনের অর্থ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিশোধের কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা সরকারি হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এছাড়া ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সেই অর্থও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র বা টেস্টিমোনিয়াল দেওয়ার নামে ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এসব অর্থ আদায়ের বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ হিসাব পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কথা বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময়ে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারীরা এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা ও অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ

সততার অনন্য নজির: সরকারি কোষাগারে ২০ লাখ টাকা ফেরত দিলেন লাখাইয়ের ইউএনও

error:

মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া উম্মেতুনেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক।

বুধবার (৫ আগস্ট) ইউএনও বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে অভিভাবকরা দাবি করেন, প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের যথাযথ হিসাব না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিয়ম করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাম্প্রতিক অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফি এবং মাসিক বেতনের অর্থ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিশোধের কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তা সরকারি হিসাবে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এছাড়া ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সেই অর্থও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র বা টেস্টিমোনিয়াল দেওয়ার নামে ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এসব অর্থ আদায়ের বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ হিসাব পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কথা বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময়ে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

অভিযোগকারীরা এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা ও অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।