ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক Logo হবিগঞ্জে হামলায় দৃষ্টিশক্তি হারানো আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির Logo ঢামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মাধবপুরে আসছেন মির্জা ফখরুল

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জের মাধবপুরে আগামী ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর তেলিয়াপাড়ায় আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আহামেদ আযম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, চিফ হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ এমপি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২৭ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীসহ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর সি আর দত্ত, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে এম শফিউল্লাহসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। এখান থেকে মুক্তিবাহিনী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করত এবং এখানে একটি বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পও গড়ে ওঠে। সড়ক ও রেলপথে সিলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে এ এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির

error:

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মাধবপুরে আসছেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জের মাধবপুরে আগামী ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর তেলিয়াপাড়ায় আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আহামেদ আযম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, চিফ হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ এমপি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২৭ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীসহ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর সি আর দত্ত, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে এম শফিউল্লাহসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। এখান থেকে মুক্তিবাহিনী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করত এবং এখানে একটি বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পও গড়ে ওঠে। সড়ক ও রেলপথে সিলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে এ এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।