ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মাধবপুরে আসছেন মির্জা ফখরুল

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জের মাধবপুরে আগামী ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর তেলিয়াপাড়ায় আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আহামেদ আযম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, চিফ হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ এমপি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২৭ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীসহ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর সি আর দত্ত, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে এম শফিউল্লাহসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। এখান থেকে মুক্তিবাহিনী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করত এবং এখানে একটি বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পও গড়ে ওঠে। সড়ক ও রেলপথে সিলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে এ এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবসে মাধবপুরে আসছেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জের মাধবপুরে আগামী ৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সদরদপ্তর তেলিয়াপাড়ায় আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আহামেদ আযম খান এমপি, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি, চিফ হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ এমপি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারসহ আরও অনেকে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২৭ জন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে দেশকে স্বাধীন করার শপথ এবং যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীসহ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর সি আর দত্ত, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে এম শফিউল্লাহসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি। এখান থেকে মুক্তিবাহিনী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করত এবং এখানে একটি বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পও গড়ে ওঠে। সড়ক ও রেলপথে সিলেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে এ এলাকার কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।