ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ঈদে বেড়াতে গিয়ে হামলার শিকার পরিবার, লুট স্বর্ণ ও নগদ অর্থ Logo মাধবপুরে সুরমা চা-বাগানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, একজন গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে সেনাবাহিনীর অভিযান, জব্দ ৫ ড্রেজার Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফ পরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আটক Logo সোনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর প্রতি খোলা চিঠি Logo হাফেজ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা: সাতাউকে মোহনীয় ইসলামী নাশিদ সন্ধ্যা Logo পদত্যাগ করলেন বিসিবির পরিচালক আমজাদ হোসেন Logo ইরান পরমাণু অস্ত্র না বানাতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প Logo মাধবপুরে ঈদের আনন্দে ফিরলো হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা

মাধবপুরে সুরমা চা-বাগানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, একজন গ্রেপ্তার

মাধবপুরের সুরমা চা-বাগানে পুলিশের অভিযান ও উদ্ধার কার্যক্রম

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা-বাগানে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অপর একজন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী তার পরিচিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিযোগে সুরমা চা-বাগানে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে তারা বাগানের ভেতরে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘ডাকাত’ পরিচয়ে ধাওয়া করলে তার সঙ্গে থাকা যুবক ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর অভিযুক্তরা তরুণীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক চা-বাগানের ভেতরের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাকে মারধর করে কানে থাকা প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গী পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মো. জসিম মিয়া (৩৪) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি মো. শাহীন মিয়া পালিয়ে গেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং পলাতক আসামির পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ধর্ষণ মামলা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে আদালতে পাঠিয়ে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ঈদে বেড়াতে গিয়ে হামলার শিকার পরিবার, লুট স্বর্ণ ও নগদ অর্থ

error:

মাধবপুরে সুরমা চা-বাগানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, একজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৩:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা-বাগানে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অপর একজন পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী তার পরিচিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিযোগে সুরমা চা-বাগানে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে তারা বাগানের ভেতরে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় দুই ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে ‘ডাকাত’ পরিচয়ে ধাওয়া করলে তার সঙ্গে থাকা যুবক ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এরপর অভিযুক্তরা তরুণীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক চা-বাগানের ভেতরের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় তাকে মারধর করে কানে থাকা প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গী পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় মো. জসিম মিয়া (৩৪) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি মো. শাহীন মিয়া পালিয়ে গেছেন।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং পলাতক আসামির পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ধর্ষণ মামলা রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে আদালতে পাঠিয়ে জেল হাজতে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।