ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় জামালগঞ্জ নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক Logo মাধবপুরে লেবুর দামে অস্বস্তি, হালি ৩০-৪০ টাকা Logo নাসিরনগর সরকারি ডিগ্রি কলেজ কালচারাল ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা Logo লাখাইয়ে করাব ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মেহেদী হাসান দুলাল গ্রেপ্তার Logo ৮ দিন পর দুই ইউনিটে উৎপাদনে ফিরল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর Logo সাতক্ষীরার সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার Logo জামালপুরে বিচারকের বাসায় চুরি: আরও ৫ জন গ্রেপ্তার, আগের ৫ জন জড়িত নন Logo আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে কিশোরের মরদেহ, উদ্ধারে বিজিবি-বিএসএফের সমন্বয়ের উদ্যোগ Logo আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় জামালগঞ্জ নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক

error:

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

আপডেট সময় ০৯:০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।