ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

আপডেট সময় ০৯:০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।