ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন Logo ঈদের আগে উপজেলা, পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ Logo মানবতার সেবায় ‘সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’: মৌলভীবাজারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোঃ সোহেল রানা Logo চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন ভাড়াটিয়া বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, দুই শিক্ষিকার বাসা তছনছ Logo মাধবপুরে পুলিশের মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগায় রিকশাচালক আটক, পরে হস্তক্ষেপে মুক্তি

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

error:

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

আপডেট সময় ০৯:০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।