ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক?

আপডেট সময় ০৯:০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফ চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয় যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আদাঐর ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ করা হয়েছে।

এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সঠিকভাবে বিতরণ হয়ে থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তি কী?

ঘটনাটি ঘিরে কেউ কেউ এটিকে পরিকল্পিতভাবে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা বলেও সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদার বলেন, চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।