ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নোয়াপাড়ায় ৩০৫ জনের চোখ পরীক্ষা, ছানি শনাক্ত ৫৫ জন Logo সাবেক প্রধান শিক্ষকের বাসায় চুরি, হাত-পা ও চোখ বেঁধে লুট Logo গুলিস্তানে জাসদ কার্যালয়ের সামনে থেকে শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আটক Logo মাধবপুরে ভোররাতে পুলিশের অভিযান, ১২৫ বোতল স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ Logo লাখাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই গর্ভবতী গাভীর মৃত্যু, নিঃস্ব দরিদ্র খামারি Logo লাখাইয়ে বসতঘরের টাইলস খুঁড়ে ১৪ পদ্মগোখরা ও ২৮ ডিম উদ্ধার Logo অপ্রতিম হত্যা: শোকের মধ্যেই বাবা-মাকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকি Logo মাধবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি, সরকারি চাকরিজীবীদেরও মিলতে পারে দীর্ঘ ছুটি Logo পুলিশকে গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের সম্পৃক্তদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ

‘সুদ’ থেকে আয় নিয়ে যা বললেন তাহেরি

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। সম্প্রতি তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় আয়ের একটি খাত হিসেবে ‘সুদ’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে মুখ খুলে তাহেরি বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করা হয়েছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত হলফনামার একটি নির্দিষ্ট কলামে বন্ড, সঞ্চয়পত্র, আমানত ও ব্যাংক সুদ—এই সবগুলো একসঙ্গে উল্লেখ করার নিয়ম রয়েছে। ফলে সেখানে শুধু ‘সুদ’ আলাদা করে তুলে ধরা বিভ্রান্তিকর।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা ও কৃষি। কৃষি খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে আয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এছাড়া বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ বাবদ আয় দেখানো হয়েছে ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।

তাহেরি বলেন, সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হলেও কেউ তাঁর কাছ থেকে জানতে চায়নি এই আয়ের উৎস কী বা কোন প্রেক্ষাপটে তা এসেছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, হলফনামার একই কলামে বন্ড ও সঞ্চয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন শুধু সুদের বিষয়টি আলাদা করে সামনে আনা হলো।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও সুদের জন্য আলাদা আলাদা কলাম রাখা। তাহলে কোন খাতে কীভাবে অর্থ এসেছে, তা আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যেত। তাঁর দাবি, তাঁকে উদ্দেশ্য করে বিষয়টি সামনে আনা হলেও একই কলামে আরও অনেক প্রার্থীর বড় অঙ্কের অর্থ উল্লেখ থাকলেও সেগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

এই প্রসঙ্গে তাহেরি বলেন, তাঁর নামে উল্লেখিত অঙ্ক তুলনামূলকভাবে খুবই কম, তবুও কেবল তাঁকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে একটি পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে তিনি মনে করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াপাড়ায় ৩০৫ জনের চোখ পরীক্ষা, ছানি শনাক্ত ৫৫ জন

error:

‘সুদ’ থেকে আয় নিয়ে যা বললেন তাহেরি

আপডেট সময় ১১:০৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরি। সম্প্রতি তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় আয়ের একটি খাত হিসেবে ‘সুদ’ উল্লেখ থাকায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে মুখ খুলে তাহেরি বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করা হয়েছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত হলফনামার একটি নির্দিষ্ট কলামে বন্ড, সঞ্চয়পত্র, আমানত ও ব্যাংক সুদ—এই সবগুলো একসঙ্গে উল্লেখ করার নিয়ম রয়েছে। ফলে সেখানে শুধু ‘সুদ’ আলাদা করে তুলে ধরা বিভ্রান্তিকর।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা ও কৃষি। কৃষি খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং ব্যবসা থেকে আয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এছাড়া বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও ব্যাংক সুদ বাবদ আয় দেখানো হয়েছে ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।

তাহেরি বলেন, সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হলেও কেউ তাঁর কাছ থেকে জানতে চায়নি এই আয়ের উৎস কী বা কোন প্রেক্ষাপটে তা এসেছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, হলফনামার একই কলামে বন্ড ও সঞ্চয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কেন শুধু সুদের বিষয়টি আলাদা করে সামনে আনা হলো।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল বন্ড, সঞ্চয়, আমানত ও সুদের জন্য আলাদা আলাদা কলাম রাখা। তাহলে কোন খাতে কীভাবে অর্থ এসেছে, তা আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যেত। তাঁর দাবি, তাঁকে উদ্দেশ্য করে বিষয়টি সামনে আনা হলেও একই কলামে আরও অনেক প্রার্থীর বড় অঙ্কের অর্থ উল্লেখ থাকলেও সেগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

এই প্রসঙ্গে তাহেরি বলেন, তাঁর নামে উল্লেখিত অঙ্ক তুলনামূলকভাবে খুবই কম, তবুও কেবল তাঁকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এতে একটি পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে তিনি মনে করেন।