ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের সম্পদ বিবরণীতে সৈয়দ মো. ফয়সল এগিয়ে

আপডেট সময় ১১:০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর ও চুনারুঘাট) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল, জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদের এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরী।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সলের বাৎসরিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ২৯ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮২৮ টাকার অস্থাবর এবং ১ কোটি ৪৬ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৬ টাকার স্থাবর সম্পত্তির মালিক। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৯০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ ও এলএলবি। তিনি পূর্বে তিনটি মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে দুটি মামলা খারিজ এবং একটি মামলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ টাকা।

জামায়াত মনোনীত ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহমদ আব্দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৩২ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের মূল্য ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৯ লাখ ৬ হাজার ৩৩২ টাকা। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসএস ও পিএইচডি। হলফনামা অনুযায়ী তিনি আটটি মামলার আসামি ছিলেন, যেগুলো সরকার কর্তৃক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার কাছে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ২৯২ টাকা। তার ওপর নির্ভরশীলদের কোনো আয় নেই। তিনি ১৩ লাখ ৪ হাজার ৮৯২ টাকার অস্থাবর সম্পদ, ৩১ ভরি স্বর্ণ এবং দতাইশার ১৪৪ শতাংশ ও চাপুইর ৯৫ শতাংশ কৃষি জমির মালিক। তবে এসব জমির মূল্য তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেননি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা কামিল। হলফনামা অনুযায়ী তিনি বর্তমানে তিনটি চলমান মামলার আসামি। তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী বাৎসরিক আয় ও সম্পদের হিসাবে আহমদ আব্দুল কাদের ও মো. গিয়াস উদ্দিন আত্ব-তাহেরীর তুলনায় বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল অর্থবিত্তে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছেন।