ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যকে জয়ধর হিরুর অভিনন্দন Logo সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা Logo সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ চালুর উদ্যোগ Logo দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর Logo এনসিপি নেতার মামলায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ নেতাকর্মীর জামিন Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে
ভুল মামলায় ক্ষোভ, ঘাতক রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি—মানববন্ধনের ডাক

মাধবপুরে শিশু সুমাইয়া হত্যায় প্রকৃত খুনি ধরাছোঁয়ার বাইরে, গ্রেপ্তার নিরপরাধ ব্যক্তি!

ভুল মামলায় ক্ষোভ, ঘাতক রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি—মানববন্ধনের ডাক

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এক্তিয়ারপুর গ্রামে আট বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, হত্যাকারী চাচা রেনু মিয়া হলেও মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জুন সন্ধ্যায়। শিশুটি ঘরে একা থাকাকালে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

নিহত সুমাইয়ার পরিবার ও গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রকৃত হত্যাকারী রেনু মিয়া হলেও পূর্বশত্রুতার জেরে তার ভাই আশিক মিয়াকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। সুমাইয়ার পিতা বেনু মিয়া ও চাচা রেনু মিয়ার পারিবারিক বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ থেকেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে আশিক মিয়াকে ফাঁসানো হয়েছে।

ঘটনার পর র‍্যাব-৯ ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। তবে এলাকায় দাবি উঠেছে, প্রকৃত খুনিকে—অর্থাৎ রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজিচান মিয়া বলেন, “আমার জানামতে আশিক মিয়ার সঙ্গে রেনু মিয়ার বিরোধ ছিল না। মূলত, বেনু মিয়া ও রেনু মিয়ার বিরোধ ছিল। সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।”

নিহত শিশুটির নানা রমজান মিয়া বলেন, “ঘটনার সময় আমি বাজারে ছিলাম। শুনে বাড়ি গিয়ে দেখি, আমার নাতনিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।”

এদিকে সুমাইয়ার মা জানিয়েছেন, তার মেয়ে নিজেই মৃত্যুর আগে বলেছিল—চাচা তাকে ছুরি দিয়ে কেটেছে।

গ্রামের আরও এক বাসিন্দা বিল্লাল মিয়া বলেন, “রেনু মিয়া ও তার সহযোগী মিলে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অথচ তারা সেদিন এলাকায় ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।”

হত্যার প্রকৃত কারণ ও আসামিদের শনাক্তে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মাধবপুর থানার ওসি বলেন, “ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। তদন্তে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যকে জয়ধর হিরুর অভিনন্দন

error:

ভুল মামলায় ক্ষোভ, ঘাতক রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি—মানববন্ধনের ডাক

মাধবপুরে শিশু সুমাইয়া হত্যায় প্রকৃত খুনি ধরাছোঁয়ার বাইরে, গ্রেপ্তার নিরপরাধ ব্যক্তি!

আপডেট সময় ০৬:২৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

ভুল মামলায় ক্ষোভ, ঘাতক রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি—মানববন্ধনের ডাক

স্টাফ রিপোর্টার: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এক্তিয়ারপুর গ্রামে আট বছরের শিশু সুমাইয়া আক্তারকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পরিবার ও স্থানীয়দের দাবি, হত্যাকারী চাচা রেনু মিয়া হলেও মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জুন সন্ধ্যায়। শিশুটি ঘরে একা থাকাকালে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

নিহত সুমাইয়ার পরিবার ও গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রকৃত হত্যাকারী রেনু মিয়া হলেও পূর্বশত্রুতার জেরে তার ভাই আশিক মিয়াকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। সুমাইয়ার পিতা বেনু মিয়া ও চাচা রেনু মিয়ার পারিবারিক বিরোধ ছিল। সেই বিরোধ থেকেই পূর্বপরিকল্পিতভাবে আশিক মিয়াকে ফাঁসানো হয়েছে।

ঘটনার পর র‍্যাব-৯ ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। তবে এলাকায় দাবি উঠেছে, প্রকৃত খুনিকে—অর্থাৎ রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজিচান মিয়া বলেন, “আমার জানামতে আশিক মিয়ার সঙ্গে রেনু মিয়ার বিরোধ ছিল না। মূলত, বেনু মিয়া ও রেনু মিয়ার বিরোধ ছিল। সেই জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।”

নিহত শিশুটির নানা রমজান মিয়া বলেন, “ঘটনার সময় আমি বাজারে ছিলাম। শুনে বাড়ি গিয়ে দেখি, আমার নাতনিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।”

এদিকে সুমাইয়ার মা জানিয়েছেন, তার মেয়ে নিজেই মৃত্যুর আগে বলেছিল—চাচা তাকে ছুরি দিয়ে কেটেছে।

গ্রামের আরও এক বাসিন্দা বিল্লাল মিয়া বলেন, “রেনু মিয়া ও তার সহযোগী মিলে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। অথচ তারা সেদিন এলাকায় ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে, যা মিথ্যা।”

হত্যার প্রকৃত কারণ ও আসামিদের শনাক্তে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। মাধবপুর থানার ওসি বলেন, “ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। তদন্তে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”