ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক Logo হবিগঞ্জে হামলায় দৃষ্টিশক্তি হারানো আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির Logo ঢামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস Logo ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক নয়, ছড়ানো তথ্য ভুয়া

মোদি-ইউনূস বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

মুর্শিদাবাদে পাঁচ দিন ধরে চলা দাঙ্গার দায় কেন্দ্রীয় সরকার ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টেনে এনেছেন মোদি-ইউনূসের বৈঠকের প্রসঙ্গ।
বুধবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ইমাম–মোয়াজ্জিনদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা নিজের সরকারের ওপর থেকে এই হিংসার দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। মমতার মতে, ‘এটা প্রি প্ল্যান্ড কমিউনাল রায়ট। বিজেপি বাইরের গুন্ডা নিয়ে এসে গোলমাল করেছে। রামনবমীতে করার পরিকল্পনা ছিল। সেটা করতে পারেনি। তাই এভাবে করেছে। আমি খুঁজে বের করব বিএসএফ কাদের হাত করে এই কাজ করেছে’।

মমতা এদিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গোপন বৈঠক করতেই পারেন। দেশের ভালো হলে ভালো। কিন্তু আপনাদের উদ্দেশ্যটা কী? অন্যদেশ থেকে লোক নিয়ে এসে দাঙ্গা করা? আপনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না?’

মুর্শিদাবাদের হিংসার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিএসএফকে দায়ী করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি এএনআই-এর একটি টুইট দেখেছি যেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশের অনেকে এর সাথে জড়িত। যদি এটি সত্যি হয়, তাহলে এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দায়ী। সীমান্তের দেখাশোনা করে বিএসএফ, রাজ্য সরকার নয়। কেন বিজেপির লোকদের বাইরে থেকে এনে গোলমাল করতে এবং পালিয়ে যেতে দেয়া হল?’

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্ররোচনা দেয়া হয়েছে।

ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে অশান্তির আবহে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের বৈঠক থেকে রাজ্যের সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভয় দিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমি আছি।

যেহেতু ওয়াকফ সংশোধনী আইন করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার, তাই আন্দোলন বাংলা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মমতা। তার কথায়, আপনারা শান্ত থাকুন। বি কুল অ্যান্ড পিসফুল।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর

ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

error:

মোদি-ইউনূস বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

আপডেট সময় ০৪:৫৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

মুর্শিদাবাদে পাঁচ দিন ধরে চলা দাঙ্গার দায় কেন্দ্রীয় সরকার ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টেনে এনেছেন মোদি-ইউনূসের বৈঠকের প্রসঙ্গ।
বুধবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ইমাম–মোয়াজ্জিনদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা নিজের সরকারের ওপর থেকে এই হিংসার দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। মমতার মতে, ‘এটা প্রি প্ল্যান্ড কমিউনাল রায়ট। বিজেপি বাইরের গুন্ডা নিয়ে এসে গোলমাল করেছে। রামনবমীতে করার পরিকল্পনা ছিল। সেটা করতে পারেনি। তাই এভাবে করেছে। আমি খুঁজে বের করব বিএসএফ কাদের হাত করে এই কাজ করেছে’।

মমতা এদিন বলেন, ‘বাংলাদেশের ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী গোপন বৈঠক করতেই পারেন। দেশের ভালো হলে ভালো। কিন্তু আপনাদের উদ্দেশ্যটা কী? অন্যদেশ থেকে লোক নিয়ে এসে দাঙ্গা করা? আপনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না?’

মুর্শিদাবাদের হিংসার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিএসএফকে দায়ী করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি এএনআই-এর একটি টুইট দেখেছি যেখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশের অনেকে এর সাথে জড়িত। যদি এটি সত্যি হয়, তাহলে এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দায়ী। সীমান্তের দেখাশোনা করে বিএসএফ, রাজ্য সরকার নয়। কেন বিজেপির লোকদের বাইরে থেকে এনে গোলমাল করতে এবং পালিয়ে যেতে দেয়া হল?’

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্ররোচনা দেয়া হয়েছে।

ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে অশান্তির আবহে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের বৈঠক থেকে রাজ্যের সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভয় দিয়ে তিনি বলেন, এখানে আমি আছি।

যেহেতু ওয়াকফ সংশোধনী আইন করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার, তাই আন্দোলন বাংলা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মমতা। তার কথায়, আপনারা শান্ত থাকুন। বি কুল অ্যান্ড পিসফুল।