ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ০৯:২০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।