ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এআই ব্যবহার করে প্রতারণা: ১০ সদস্য গ্রেফতার, আরও অভিযান চলবে—আজহারি Logo কলেজছাত্রের বানানো ‘গো-কার্ট’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা Logo সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ Logo লাখাইয়ে বিএনপি নেতা ছুরে রহমানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই ব্যবহার করে প্রতারণা: ১০ সদস্য গ্রেফতার, আরও অভিযান চলবে—আজহারি

error:

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ০৯:২০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।