ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

নোয়াপাড়ায় চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা

আপডেট সময় ০৯:২০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

**ষ্টাফ রিপোর্টার:**

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নোয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ও স্থানীয় সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব ছিল জ্ঞান, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা।

চার দিনব্যাপী এই উৎসবে বই প্রদর্শনী, আবৃত্তি, নাটক, নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কনসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। শিশু-কিশোরদের জন্য আলাদা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা মেলায় উৎসবের আমেজ যোগ করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোফাক্ষার উদ্দিন এবং মাধবপুর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
> “এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। উপজেলা প্রশাসন সবসময় এমন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করবে।”

অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস সোহেল বলেন,
> “বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। পাঠাভ্যাস মানুষকে চিন্তাশীল, মানবিক ও সমাজ সচেতন করে তোলে। শিক্ষার্থীদের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করাই আমাদের প্রকৃত অর্জন।”

বইমেলায় অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেছেন মননশীল পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ উৎসবে প্রাণসঞ্চার করে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও সৃজনশীলতাকে বাড়িয়ে দেয়।

চার দিনব্যাপী এই বইমেলা প্রমাণ করেছে—যেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা হয়, সেখানে তরুণ প্রজন্ম মানবিকতা, জ্ঞান ও কল্পনায় সমৃদ্ধ হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে মেলার পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রযুক্তিনির্ভর যুগেও বইয়ের বিকল্প নেই—বইই জ্ঞান ও সংস্কৃতির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।