ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যকে জয়ধর হিরুর অভিনন্দন Logo সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা Logo সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ চালুর উদ্যোগ Logo দুবাইয়ের কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক আইজিপি বেনজীর Logo এনসিপি নেতার মামলায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ নেতাকর্মীর জামিন Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে

স্ত্রীর কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী

বাংলার খবর ডেস্ক
ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের বাস্তব উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন সাভারের উম্মে সাহেদীনা টুনি। নিজের স্বামী মো. তারেকের জীবন বাঁচাতে তিনি নিজের একটি কিডনি দান করেন। কিন্তু সেই স্বামীই পরে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়।

২০০৬ সালে টুনির সঙ্গে বিয়ে হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী তারেকের। ২০০৮ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন তারেক। স্ত্রী টুনি তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান এবং ২০১৯ সালে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে কিডনি দেন।

কিন্তু সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যান তারেক। তিনি ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া ও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বসবাস শুরু করেন এক ডিভোর্সি প্রেমিকার সঙ্গে।

টুনি পরে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন। তারেক গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান।

টুনি বলেন, “আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যকে জয়ধর হিরুর অভিনন্দন

error:

স্ত্রীর কিডনিতে প্রাণ ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী

আপডেট সময় ০৩:৪৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক
ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের বাস্তব উদাহরণ স্থাপন করেছিলেন সাভারের উম্মে সাহেদীনা টুনি। নিজের স্বামী মো. তারেকের জীবন বাঁচাতে তিনি নিজের একটি কিডনি দান করেন। কিন্তু সেই স্বামীই পরে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়।

২০০৬ সালে টুনির সঙ্গে বিয়ে হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী তারেকের। ২০০৮ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন তারেক। স্ত্রী টুনি তাকে ভারতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান এবং ২০১৯ সালে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে কিডনি দেন।

কিন্তু সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যান তারেক। তিনি ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া ও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বসবাস শুরু করেন এক ডিভোর্সি প্রেমিকার সঙ্গে।

টুনি পরে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন। তারেক গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান।

টুনি বলেন, “আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।”