ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

লাখাইয়ে হত্যা মামলাকে পুঁজি করে প্রতিপক্ষের উপর দফায় দফায় হামলা ঘর বাড়ি ভাঙচুরও লুটপাট

লাখাই উপজেলায় মুড়িয়াউক গ্রামের সফিকুর রহমান (৫৮) হত্যা মামলাকে পুঁজি করে দফায় দফায় প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট এবং প্রতিপক্ষের বাড়িতে থাকা মহিলাদের উপর হামলা।

উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামে ১লা এপ্রিল প্রতিপক্ষের হামলায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সফিকুর রহমান। সফিকুর রহমান নিহত হওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়তই প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটসহ অগ্নি সংযোগ করে যাচ্ছে। যাদের ভয়ে প্রতিপক্ষের নারী বৃদ্ধ শিশু সহ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,শফিকুর রহমান নিহত হওয়ার পর থেকে তার ছেলে এফতাউর রহমান খোকন,মুড়িয়াউক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসামি কাউসার মিয়া, রানা, হারুন মিয়া গং মিলে সাবেক চেয়ারম্যান হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর মিয়ার নির্দেশে প্রতিনিয়তই সুযোগ বুঝে ভাঙছে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ও লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।

শুধু তাই নয় ১২ মে সোমবার ভোর ৫ টায় প্রতিপক্ষের মসকুদ আলীর মেয়ে মনোয়ারা আক্তার বাড়িতে গেলে তার মেয়ে মনোয়ারা আক্তার কে এলো পাতারি মারদূর করে এফতাউর রহমান খোকন,মুড়িয়াউক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসামি কাউসার মিয়া, রানা, হারুন মিয়া গং। মনোয়ারা বেগম আহত হয়ে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুড়িয়াউক গ্রামের মুসকুদ আলীর ঘরসহ ৭/৮ টি ঘর ভেঙে চুরমার করে সকল মালামাল নিয়ে গেছে।
১২মে (সোমবার) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫ ঘটিকার সময় মুসকুদ আলীর বাড়ির চালের টিন খুলতে দেখা গেছে এবতাউর রহমান খোকনের গুষ্টির লোকদের।

এ সময় এ প্রতিবেদক লাখাই থানা ডিউটি অফিসার এসআই মুন্নাকে ফোন দিলে তিনি তাৎক্ষণিক এস আই মানিক সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘটনার স্থলে পাঠান। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে লুটপাট কারিরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মকসুদ আলীর মেয়ে মনোয়ারা বেগম বলে আমাদের ঘর দেখতে আমি বাড়িতে গিয়েছিলাম। তখন খোকন,কাউসার সহ অনেকেই আমাকে মারধর করে। মনোয়ারা বলেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, অনেকেই গা ঢাকা দিয়ে লুকিয়ে আছে, কিন্তু কাউসার মিয়া মুড়িয়াউক ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি হয়েও প্রকাশ্যে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করছে বারবার। আমরা নিরীহ মা-বোনরা তাদের ভয়ে বাড়ি ছাড়া। ওরা আমাদের ফসলের জমির ধানও কেটে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে লাখাই থানা ওসি বন্দে আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ফাকা থাকায় এবং আলগা বাড়ি হওয়ায় লুটপাট কারীরা পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

লাখাইয়ে হত্যা মামলাকে পুঁজি করে প্রতিপক্ষের উপর দফায় দফায় হামলা ঘর বাড়ি ভাঙচুরও লুটপাট

আপডেট সময় ০৯:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

লাখাই উপজেলায় মুড়িয়াউক গ্রামের সফিকুর রহমান (৫৮) হত্যা মামলাকে পুঁজি করে দফায় দফায় প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট এবং প্রতিপক্ষের বাড়িতে থাকা মহিলাদের উপর হামলা।

উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামে ১লা এপ্রিল প্রতিপক্ষের হামলায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সফিকুর রহমান। সফিকুর রহমান নিহত হওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়তই প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটসহ অগ্নি সংযোগ করে যাচ্ছে। যাদের ভয়ে প্রতিপক্ষের নারী বৃদ্ধ শিশু সহ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,শফিকুর রহমান নিহত হওয়ার পর থেকে তার ছেলে এফতাউর রহমান খোকন,মুড়িয়াউক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসামি কাউসার মিয়া, রানা, হারুন মিয়া গং মিলে সাবেক চেয়ারম্যান হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর মিয়ার নির্দেশে প্রতিনিয়তই সুযোগ বুঝে ভাঙছে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি ও লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।

শুধু তাই নয় ১২ মে সোমবার ভোর ৫ টায় প্রতিপক্ষের মসকুদ আলীর মেয়ে মনোয়ারা আক্তার বাড়িতে গেলে তার মেয়ে মনোয়ারা আক্তার কে এলো পাতারি মারদূর করে এফতাউর রহমান খোকন,মুড়িয়াউক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আসামি কাউসার মিয়া, রানা, হারুন মিয়া গং। মনোয়ারা বেগম আহত হয়ে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মুড়িয়াউক গ্রামের মুসকুদ আলীর ঘরসহ ৭/৮ টি ঘর ভেঙে চুরমার করে সকল মালামাল নিয়ে গেছে।
১২মে (সোমবার) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫ ঘটিকার সময় মুসকুদ আলীর বাড়ির চালের টিন খুলতে দেখা গেছে এবতাউর রহমান খোকনের গুষ্টির লোকদের।

এ সময় এ প্রতিবেদক লাখাই থানা ডিউটি অফিসার এসআই মুন্নাকে ফোন দিলে তিনি তাৎক্ষণিক এস আই মানিক সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘটনার স্থলে পাঠান। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে লুটপাট কারিরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মকসুদ আলীর মেয়ে মনোয়ারা বেগম বলে আমাদের ঘর দেখতে আমি বাড়িতে গিয়েছিলাম। তখন খোকন,কাউসার সহ অনেকেই আমাকে মারধর করে। মনোয়ারা বলেন নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, অনেকেই গা ঢাকা দিয়ে লুকিয়ে আছে, কিন্তু কাউসার মিয়া মুড়িয়াউক ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি হয়েও প্রকাশ্যে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করছে বারবার। আমরা নিরীহ মা-বোনরা তাদের ভয়ে বাড়ি ছাড়া। ওরা আমাদের ফসলের জমির ধানও কেটে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে লাখাই থানা ওসি বন্দে আলীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ফাকা থাকায় এবং আলগা বাড়ি হওয়ায় লুটপাট কারীরা পুলিশ দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়।