
বাংলার খবর ডেস্ক
৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধে সরকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)–এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের কনভোকেশন ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ শেষ করা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থীকে সনদ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইন্টার্নশিপ শুরু করা তৃতীয় ব্যাচের ২৫ জনকে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।
সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের যেসব উদ্বেগ রয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় রাখা হবে। তাঁদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন কিংবা অতীতে ব্যবহৃত নিবর্তনমূলক আইনের অপব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আইন পেশায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা যতই প্রভাবশালী হোন না কেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সাইবার নিরাপত্তা আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগটি এখনো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি। কবে থেকে এটি কার্যকর হবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















