ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অলি উল্লাহর মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের শোক Logo নাসিরনগরের হাবিবুর হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার: Logo মাধবপুরে মনতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে চুরি, তালা ভেঙে সিঙ্ক-ট্যাপ নিয়ে গেল চোরেরা Logo সনদ জাল ধরা পড়ার পাঁচ বছরেও কার্যকর ব্যবস্থা নেই, শিক্ষক পদও শূন্য না হওয়ায় পাঠদান ব্যাহত Logo বুল্লা বাজারে লাগামহীন চুরি, পাহারাদার ও বাজার কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন Logo আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ব্যাখ্যা দেবেন দুই আইনজীবী Logo অলি উল্লাহর মৃত্যুতে শোক জানালেন এমপি ফয়সল Logo আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম, সরবরাহ বাড়ায় স্বস্তি Logo সিলেটের তাজরিয়ানের লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে গভীর রাতে ওসির পরিদর্শন, জোরদার হচ্ছে নিরাপত্তা

নাসিরনগরের হাবিবুর হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার:

মো. আব্দুল হান্নান নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কৃষক হাবিবুর রহমান হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বীর উত্তর এলাকার ইউনুছ মিয়ার ছেলে মো. সাগর (৩১) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার হীতপুর এলাকার প্রফুল্ল দাসের ছেলে নিরঞ্জন দাস (৩৭)।

এসআরবি সূত্রে জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলার কালিউতা গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান (৪০) সৌদি আরবে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকায় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে গত ১ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন।

নিখোঁজের কয়েকদিন পর হাবিবুরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। ফোনে জানানো হয়, হাবিবুর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিভিন্ন অজুহাতে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

এর মধ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর নাসিরনগরের হরিপুর এলাকায় সততা ইটভাটার সামনে গাঙ্গের পানিতে অজ্ঞাত এক পুরুষের পচা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি হাবিবুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন তাঁর স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাবিবুর রহমানকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি-৯। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে নেত্রকোনা সদর থানার ঠাকুরকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে একই রাতে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৈবর্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১৪।

এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার দুজনই মামলার তদন্তে শনাক্ত হওয়া পলাতক আসামি। পরে তাদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নাসিরনগর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

অলি উল্লাহর মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের শোক

error:

নাসিরনগরের হাবিবুর হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি গ্রেফতার:

আপডেট সময় ০৫:৫২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মো. আব্দুল হান্নান নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কৃষক হাবিবুর রহমান হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামিকে পৃথক অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বীর উত্তর এলাকার ইউনুছ মিয়ার ছেলে মো. সাগর (৩১) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার হীতপুর এলাকার প্রফুল্ল দাসের ছেলে নিরঞ্জন দাস (৩৭)।

এসআরবি সূত্রে জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলার কালিউতা গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান (৪০) সৌদি আরবে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকায় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে গত ১ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন।

নিখোঁজের কয়েকদিন পর হাবিবুরের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে টাকা দাবি করা হয়। ফোনে জানানো হয়, হাবিবুর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিভিন্ন অজুহাতে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

এর মধ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর নাসিরনগরের হরিপুর এলাকায় সততা ইটভাটার সামনে গাঙ্গের পানিতে অজ্ঞাত এক পুরুষের পচা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি হাবিবুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন তাঁর স্ত্রী।

পরিবারের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাবিবুর রহমানকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এসআরবি-৯। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে নেত্রকোনা সদর থানার ঠাকুরকোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে একই রাতে রাত ৩টা ৫০ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার শাহবাজপুর ইউনিয়নের কৈবর্তপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-১৪।

এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার দুজনই মামলার তদন্তে শনাক্ত হওয়া পলাতক আসামি। পরে তাদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নাসিরনগর থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মনির হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।