
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া গ্রামে স্ট্রোকে আক্রান্ত এক রোগীর চিকিৎসা নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধুনিক চিকিৎসার পরিবর্তে ওই রোগীকে ঢোল-বাজনা বাজিয়ে ঝাড়ফুঁক পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা গেছে, বরুড়া গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে ইউনুস মিয়া প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এতে তার শরীরের ডান পাশ অবশ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিলেও আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ায় পরে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির দিকে ঝুঁকে পড়েন।
এরপর পাশ্ববর্তী চুনারুঘাট উপজেলার রাজারবাজার গ্রামের চেরাগ আলী নামের এক কবিরাজের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করে। রোগীর বাড়ির উঠানে ঢোল-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে এ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে রোগীর অবস্থার উন্নতির পরিবর্তে আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক ডা. আল আমিন বলেন, “স্ট্রোক একটি জটিল রোগ। এ ক্ষেত্রে দ্রুত ও নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসা এবং ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত জরুরি। ঝাড়ফুঁক বা কুসংস্কারভিত্তিক চিকিৎসা রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।”
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের জরুরি নজরদারি প্রয়োজন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























