
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শপথ গ্রহণের দিন থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল। উন্নয়নের সূচনা হিসেবে হাতিমারা চা বাগানের নাট মন্দির সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় চা শ্রমিকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।
হাতিমারা চা বাগানের বাসিন্দা শেফালি মুন্ডা বলেন, “আমরা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করি। সারা বছরই অভাব লেগে থাকে। আমাদের নাট মন্দিরের কোনো উন্নয়ন ছিল না। কিন্তু সৈয়দ ফয়সল এমপি হওয়ার পরপরই কাজ শুরু হয়ে গেছে। তাঁর ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ আমাদের কষ্ট দেখে দ্রুত উদ্যোগ নিয়েছেন। নির্বাচন হওয়ার পর শপথের দিনেই বাগানে কাজ শুরু হয়েছে—এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়।”
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন সৈয়দ মোঃ ফয়সল। নির্বাচনের আগে তাঁর ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ২৮টি চা বাগানসহ মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। চা শ্রমিকদের জীবনমান, শিক্ষা ও ধর্মীয় স্থাপনার অবস্থা দেখে উন্নয়নের অঙ্গীকার করেন তিনি।
শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হলেও স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম থেমে থাকেনি। হাতিমারা চা বাগানের দীর্ঘদিনের অবহেলিত নাট মন্দির সংস্কারের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বহু বছর ধরে মন্দিরটির অবস্থা ছিল জরাজীর্ণ। এখন সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমে নতুন প্রাণ সঞ্চার হবে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল বলেন, “এই নির্বাচনে বাগানের মানুষ সৈয়দ মোঃ ফয়সলকে বিপুল ভোট দিয়েছে। তারা তাঁর কথার ওপর আস্থা রেখেছে। আমরা সেই আস্থার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। কয়েকদিন আগে চণ্ডিছড়া চা বাগানে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করা হয়েছে। আজ নাট মন্দিরের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা আশা করি, মাধবপুর ও চুনারুঘাটে আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হবে।”
এ বিষয়ে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। মাধবপুর–চুনারুঘাটের যেখানেই সুযোগ পাব, মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করব। নির্বাচিত এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের হৃদয় জয় করাই আমাদের লক্ষ্য।”
বাংলার খবর ডেস্ক : 























