
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে রাজনৈতিক পদপদবি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বহরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ আলী শাহীনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি শাহীন আলম রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বহরা ইউনিয়নে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। এ উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যায় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাকালে কমিটির সদস্য তালিকায় নিজের অনুসারীদের কম রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহীন আলম রিপন। এ নিয়ে সাধারণ সম্পাদক আমজাদ আলী শাহীনের সঙ্গে তার তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে শাহীন আলম রিপন ও তার সমর্থিত কর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমজাদ আলী শাহীনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আহতের ছোট ভাই ইলিয়াস মিয়া বৃহস্পতিবার সকালে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।
এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মাধবপুর থানার মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শাহীন আলম রিপনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি শ্রীধরপুর গ্রামের মো. আব্দুল মালেক মধুলালের ছেলে।
মাধবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। সুনির্দিষ্ট মামলার ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























