ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

মাধবপুরে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুতে বিদায় মাহবুব স্যারকে

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা শাহজালাল সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক, কবি ও সাহিত্যিক মাহবুব ইসলামের জানাজায় নেমেছিল শোকের ঢল।
সোমবার দুপুরে কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। সবাই শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান প্রিয় শিক্ষক ‘মাহবুব স্যার’-কে।

জানাজা শেষে মরহুমকে নিজ গ্রাম নজরপুরের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

প্রিয় শিক্ষককে হারিয়ে শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা জানান, মাহবুব ইসলাম ছিলেন সৎ, নিরহঙ্কার ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষকে তিনি প্রাণবন্ত রাখতেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি ছিল গভীর মমতা।

শিক্ষার পাশাপাশি তিনি সাহিত্যচর্চাতেও ছিলেন সক্রিয়—লিখেছেন কবিতা, প্রবন্ধ ও সাহিত্যবিষয়ক নানা রচনা। অকালপ্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো কলেজ পরিবার। সহকর্মীরা বলেন, “অল্প বয়সে এমন একজন মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষকের চলে যাওয়া শিক্ষা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

মনতলা কলেজ মাঠের জানাজার সময় আবেগে ভেসে যান উপস্থিত সবাই। কেউই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, প্রিয় ‘মাহবুব স্যার’ আর শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন না। তাঁর স্মৃতি, ভালোবাসা ও কর্ম শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে দীর্ঘদিন।

জানাজা শেষে মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ উল ইসলাম, মনতলা শাহজালাল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ইকবাল তাজওয়ালী, শিক্ষা কর্মকর্তা মাজারুল হুদা, ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আলী আজগর, সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সিদ্দীকুর রহমান, চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, বহরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মঈন উদ্দিন, নূরুল ইসলাম ও কাউছার আহমেদ।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

মাধবপুরে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের অশ্রুতে বিদায় মাহবুব স্যারকে

আপডেট সময় ০১:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা শাহজালাল সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক, কবি ও সাহিত্যিক মাহবুব ইসলামের জানাজায় নেমেছিল শোকের ঢল।
সোমবার দুপুরে কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। সবাই শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান প্রিয় শিক্ষক ‘মাহবুব স্যার’-কে।

জানাজা শেষে মরহুমকে নিজ গ্রাম নজরপুরের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

প্রিয় শিক্ষককে হারিয়ে শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা জানান, মাহবুব ইসলাম ছিলেন সৎ, নিরহঙ্কার ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষকে তিনি প্রাণবন্ত রাখতেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি ছিল গভীর মমতা।

শিক্ষার পাশাপাশি তিনি সাহিত্যচর্চাতেও ছিলেন সক্রিয়—লিখেছেন কবিতা, প্রবন্ধ ও সাহিত্যবিষয়ক নানা রচনা। অকালপ্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো কলেজ পরিবার। সহকর্মীরা বলেন, “অল্প বয়সে এমন একজন মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষকের চলে যাওয়া শিক্ষা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

মনতলা কলেজ মাঠের জানাজার সময় আবেগে ভেসে যান উপস্থিত সবাই। কেউই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, প্রিয় ‘মাহবুব স্যার’ আর শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন না। তাঁর স্মৃতি, ভালোবাসা ও কর্ম শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে দীর্ঘদিন।

জানাজা শেষে মরহুমের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা কর্মকর্তা শরীফ উল ইসলাম, মনতলা শাহজালাল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ইকবাল তাজওয়ালী, শিক্ষা কর্মকর্তা মাজারুল হুদা, ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আলী আজগর, সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সিদ্দীকুর রহমান, চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, বহরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মঈন উদ্দিন, নূরুল ইসলাম ও কাউছার আহমেদ।