ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

কানুনগো-সার্ভেয়ার নেই, স্থবির মাধবপুর ভূমি অফিসের সেবা কার্যক্রম

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নামজারি, খারিজ, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, জমির রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য প্রতিদিন শতাধিক মানুষ অফিসে এলেও প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা জানান, একটি সাধারণ কাজ সম্পন্ন করতেও তাদের একাধিকবার ভূমি অফিসে যেতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অভাবে ফাইলের কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুটোরই অপচয় হচ্ছে।

ধর্মঘর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, চিকিৎসাজনিত কারণে জমি বিক্রির প্রয়োজন হলেও নামজারি ও খারিজের কাজ দীর্ঘদিন ধরে সম্পন্ন করতে পারছেন না। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বারবার অফিসে যেতে হচ্ছে। তার অভিযোগ, মাধবপুর ভূমি অফিসে প্রায় দুই বছর ধরে কানুনগোর পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া একমাত্র সার্ভেয়ারকে কয়েক মাস আগে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে সার্ভেয়ার না থাকায় জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জমি ক্রয়-বিক্রিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরেক সেবাপ্রার্থী আমজাদ মিয়া বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ ও রেকর্ড-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের মতো সাধারণ কাজেও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। মাধবপুর একটি বৃহৎ উপজেলা হওয়ায় এখানে ভূমি-সংক্রান্ত কাজের চাপ অনেক বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় জনবল অত্যন্ত কম। ফলে বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সেবার গতি ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, “উপজেলা ভূমি অফিসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। সীমিত জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। জনবল বৃদ্ধি পেলে সেবার গতি আরও বাড়বে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

কানুনগো-সার্ভেয়ার নেই, স্থবির মাধবপুর ভূমি অফিসের সেবা কার্যক্রম

আপডেট সময় ১২:২৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নামজারি, খারিজ, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, জমির রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য প্রতিদিন শতাধিক মানুষ অফিসে এলেও প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা জানান, একটি সাধারণ কাজ সম্পন্ন করতেও তাদের একাধিকবার ভূমি অফিসে যেতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অভাবে ফাইলের কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুটোরই অপচয় হচ্ছে।

ধর্মঘর ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, চিকিৎসাজনিত কারণে জমি বিক্রির প্রয়োজন হলেও নামজারি ও খারিজের কাজ দীর্ঘদিন ধরে সম্পন্ন করতে পারছেন না। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও বারবার অফিসে যেতে হচ্ছে। তার অভিযোগ, মাধবপুর ভূমি অফিসে প্রায় দুই বছর ধরে কানুনগোর পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া একমাত্র সার্ভেয়ারকে কয়েক মাস আগে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে সার্ভেয়ার না থাকায় জমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জমি ক্রয়-বিক্রিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আরেক সেবাপ্রার্থী আমজাদ মিয়া বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ ও রেকর্ড-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের মতো সাধারণ কাজেও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। মাধবপুর একটি বৃহৎ উপজেলা হওয়ায় এখানে ভূমি-সংক্রান্ত কাজের চাপ অনেক বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় জনবল অত্যন্ত কম। ফলে বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং সেবার গতি ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, “উপজেলা ভূমি অফিসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। সীমিত জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। জনবল বৃদ্ধি পেলে সেবার গতি আরও বাড়বে।”