ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক Logo হবিগঞ্জে হামলায় দৃষ্টিশক্তি হারানো আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির Logo ঢামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস Logo ইউপি নির্বাচনে এসএসসি-এইচএসসি সনদ বাধ্যতামূলক নয়, ছড়ানো তথ্য ভুয়া Logo তেলিয়াপাড়া চা বাগানে গণবিক্ষোভ, দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা করার দাবি

মাদকে ভাসছে মাধবপুর: পুলিশের শিথিলতায় বেপরোয়া তরুণ প্রজন্ম, বাড়ছে অপরাধ

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ নানা মরণঘাতী মাদক। অভিযোগ উঠেছে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশের কঠোর অবস্থান না থাকায় উঠতি বয়সের তরুণরা প্রতিযোগিতামূলকভাবে মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে অভিভাবকদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাধবপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর ও নোয়াপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সর্বাধিক। পুলিশের খাতায় প্রায় ৭০ জনের তালিকা থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা অনেক বেশি। মাদক সেবন ও ব্যবসা বৃদ্ধি পেলেও পুলিশের অভিযান রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। গত কয়েক মাসে থানা পুলিশ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে না পারলেও সেনাবাহিনীর অভিযানে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে।

মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত অক্টোবর মাসে ১৪টি মাদক মামলার মধ্যে পুলিশ ১০টি মামলা করলেও পরবর্তী মাসগুলোতে পুলিশের সক্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ৫টি মাদক মামলার মধ্যে একটিও মাধবপুর থানা বা ফাঁড়ির পুলিশ করতে পারেনি; সবকটি মামলা করেছে র‍্যাব ও বিজিবি। জানুয়ারি মাসে ৯টি মামলার মধ্যে পুলিশ মাত্র ৩টি মামলা করেছে। বিপরীতে বিজিবি, ডিবি ও র‍্যাবের অভিযানে সীমান্ত থেকে আসা ট্রাক ও সিএনজি ভর্তি মাদক আটক হচ্ছে।

মাদককে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও খুনের মতো অপরাধ বেড়ে চলেছে। সচেতন মহলের মতে, পুলিশের নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে মাদক বহন করতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হওয়ার ঘটনাও এলাকায় বেশ আলোচিত। এই মরণনেশা থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদক বিরোধী অভিযানে কঠোরতা আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে

error:

মাদকে ভাসছে মাধবপুর: পুলিশের শিথিলতায় বেপরোয়া তরুণ প্রজন্ম, বাড়ছে অপরাধ

আপডেট সময় ০৮:৪১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় মাদকের ভয়াবহতা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ নানা মরণঘাতী মাদক। অভিযোগ উঠেছে, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পুলিশের কঠোর অবস্থান না থাকায় উঠতি বয়সের তরুণরা প্রতিযোগিতামূলকভাবে মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে অভিভাবকদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাধবপুর পৌর এলাকাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, শাহজাহানপুর, জগদীশপুর ও নোয়াপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সর্বাধিক। পুলিশের খাতায় প্রায় ৭০ জনের তালিকা থাকলেও বাস্তবে এই সংখ্যা অনেক বেশি। মাদক সেবন ও ব্যবসা বৃদ্ধি পেলেও পুলিশের অভিযান রহস্যজনকভাবে কমে গেছে। গত কয়েক মাসে থানা পুলিশ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে না পারলেও সেনাবাহিনীর অভিযানে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে।

মামলার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত অক্টোবর মাসে ১৪টি মাদক মামলার মধ্যে পুলিশ ১০টি মামলা করলেও পরবর্তী মাসগুলোতে পুলিশের সক্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। ডিসেম্বর মাসে ৫টি মাদক মামলার মধ্যে একটিও মাধবপুর থানা বা ফাঁড়ির পুলিশ করতে পারেনি; সবকটি মামলা করেছে র‍্যাব ও বিজিবি। জানুয়ারি মাসে ৯টি মামলার মধ্যে পুলিশ মাত্র ৩টি মামলা করেছে। বিপরীতে বিজিবি, ডিবি ও র‍্যাবের অভিযানে সীমান্ত থেকে আসা ট্রাক ও সিএনজি ভর্তি মাদক আটক হচ্ছে।

মাদককে কেন্দ্র করে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও খুনের মতো অপরাধ বেড়ে চলেছে। সচেতন মহলের মতে, পুলিশের নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কয়েক বছর আগে মাদক বহন করতে গিয়ে এক পুলিশ সদস্য ধরা পড়ে চাকরিচ্যুত হওয়ার ঘটনাও এলাকায় বেশ আলোচিত। এই মরণনেশা থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে মাদক বিরোধী অভিযানে কঠোরতা আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।