বাংলার খবর ডেস্ক:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সম্পদপুর গ্রাম থেকে দুই সন্তানের জননী সানজিদা আক্তার নিপা (৩০)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকেই সানজিদার স্বামী রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়—এটি পরিকল্পিত হত্যা।
নিহতের বাবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পেটুয়াজুড়ি গ্রামের আবু হানিফ বলেন,
“১১ বছর আগে মাধবপুরের সম্পদপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সানজিদার বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে—একজনের বয়স ৮ বছর, অন্যজনের ৪ বছর। কিছুদিন আগে জানতে পারি, রফিকুল দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। এরপর থেকেই মেয়ের ওপর নির্যাতন বেড়ে যায়। রফিকুল ও তার পরিবারের কেউ মেয়ের খোঁজও নিত না।”
তিনি আরও বলেন,
“আমাদের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে সানজিদাকে হত্যা করে পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।”
নিহতের চাচাতো ভাই ফারুক মিয়া জানান,
“সকালে ঘটক মানিক চাঁন আমাদের খবর দেয় সানজিদা মারা গেছে। আমরা গিয়ে দেখি, তার পা মাটিতে লাগানো অবস্থায় দড়িতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে একটি হত্যাকাণ্ড।”
নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শহিদ উল্যাহ বলেন,
“খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।”