
বাংলার খবর স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাধারণ পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আগামী ৬ অক্টোবর। তবে নির্বাচনের আগে আইনি জটিলতা ও আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে বড় ধাক্কা খেল পুরো প্রক্রিয়া। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ মোট ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন—রফিকুল ইসলাম বাবু (ইন্দিরা ক্রীড়াচক্র), মাসুদুজ্জামান (মোহামেডান), সাঈদ ইব্রাহীম আহমেদ (ফেয়ার ফাইটার্স), মির হেলাল (চট্টগ্রাম জেলা), সৈয়দ বুরহান হোসেন পাপ্পু (তেজগাঁও ক্রিকেট একাডেমি), ইসরাফিল খসরু (এক্সিউম ক্রিকেটার্স), সাব্বির আহমেদ রুবেল (প্রগতি সেবা সংঘ), তৌহিদ তারেক (পাবনা), অসিফ রাব্বানী (শাইনপুকুর), সিরাজ উদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর (ক্যাটাগরি-৩) এবং ইয়াসির আব্বাস (আজাদ স্পোর্টিং)।
### আদালতের নির্দেশে জটিলতা
বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বিতর্কিত ১৫টি ক্লাবের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দেন। ফলে এক্সিউম ক্রিকেটার্স, ঢাকা ক্রিকেট একাডেমি, মোহাম্মদ ক্রিকেট ক্লাব, নবাবগঞ্জ ক্রিকেট কোচিং একাডেমি, পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাব, গুলশান ক্রিকেট ক্লাব, ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্স, ভাইকিংস ক্রিকেট একাডেমি, বনানী ক্রিকেট ক্লাব, নাখালপাড়া ক্রিকেটার্স, মহাখালী ক্রিকেট একাডেমি, ধানমন্ডি ক্রিকেট ক্লাব, প্যাসিফিক ক্রিকেট ক্লাব, স্যাফায়ার স্পোর্টিং ক্লাব ও আলফা স্পোর্টিং ক্লাব ভোটে অংশ নিতে পারবে না।
### তামিমের অভিযোগ
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি জানান, ভোটার তালিকা থেকে ১৫টি ক্লাব বাদ দেওয়া এবং পরবর্তীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অস্বচ্ছ করেছে। এ পরিস্থিতিতে একাধিক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
ফলে নির্বাচনের আগে থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিসিবির ভোটযুদ্ধ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মনোনয়ন প্রত্যাহার ও আইনি জটিলতার কারণে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।