
পারভেজ হাসান, স্টাফ রিপোর্টার:
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলে কচুরিপানা ও বিভিন্ন প্রজাতির আগাছার বিস্তার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। বর্ষার পানি কমতে শুরু করলেও ফসলি জমিতে জমে থাকা কচুরিপানার কারণে আসন্ন বোরো মৌসুমে জমি প্রস্তুত ও চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্থানীয় শত শত কৃষক।
বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর হাওরের ফসলি জমিতে কচুরিপানা ও বিভিন্ন ধরনের আগাছা জমে পুরু আস্তরণ তৈরি হয়েছে। পানি শুকিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব কচুরিপানা জমির ওপর আটকে শক্ত হয়ে থাকছে। এতে জমি চাষের উপযোগী করে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বুল্লার হাওর, ভাদিকারার হাওর, বামৈ হাওর, বলাকান্দির হাওর, মাদনার হাওর ও ভরপূর্ণির হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের ফসলি জমিতে কচুরিপানা ছড়িয়ে রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, জমি থেকে কচুরিপানা ও আগাছা অপসারণ করতে না পারলে পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর দিয়ে চাষ দেওয়া কঠিন হবে। শ্রমিক দিয়ে এসব পরিষ্কার করতে গেলে বিঘাপ্রতি অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে, যা অনেক কৃষকের সামর্থ্যের বাইরে।
কৃষকদের আশঙ্কা, সময়মতো জমি প্রস্তুত করা সম্ভব না হলে বোরো ধান রোপণে বিলম্ব হতে পারে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন তাঁরা।
এ পরিস্থিতিতে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণে কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি উদ্যোগ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা। তাঁদের প্রত্যাশা, সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে আসন্ন বোরো মৌসুমে চাষাবাদের প্রতিবন্ধকতা কমবে।