
বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আমুরোড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ একজন প্রার্থীকে বাদ দিয়ে কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন অনুষ্ঠিত খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ছয়শ্রী গ্রামের বাসিন্দা তাসলিমা আক্তার অংশগ্রহণ করেন। তিনি বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অনার্স সম্পন্ন করেছেন। পরিবারের দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ না দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাস অন্য এক নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর মা জমিলা খাতুনের অভিযোগ, মেয়েকে নিয়োগ না দেওয়ার কারণ জানতে কলেজে গেলে অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ ও শিক্ষক আব্দুল কাদির তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এমনকি বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে অপমান ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ঘটনার পর তারা সেখান থেকে চলে আসেন।
এদিকে স্থানীয়ভাবে আরও অভিযোগ রয়েছে, অতীতেও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। এসব অভিযোগের মধ্যে আর্থিক লেনদেন ও অনিয়মের বিষয়ও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
**(বিঃদ্রঃ: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের আগে অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।)**