

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (২৫ মে)। এ উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত হজযাত্রীরা মিনায় পৌঁছেছেন এবং হজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন।
রোববার এশার নামাজের পর থেকেই হাজিরা তাবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। মিনায় যাওয়ার আগে মুসল্লিরা ইহরামের কাপড় পরিধান করেন।
শরীয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে হাজিরা ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। এরপর ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।
খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করবেন। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, আরাফাতে অবস্থান করাই হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ মিনায় ফিরে বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর পশু কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
১১ ও ১২ জিলহজ বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাজিরা মিনা ত্যাগ করবেন।
চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে এ বছর প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।
হজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পবিত্র স্থানগুলোতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে ইবাদত পালনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।