
যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি ছাত্রী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। এর আগে একই এলাকায় আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, যা নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।
জানা গেছে, ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কলিন ব্রিজের নিচ থেকে প্রথমে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একই স্থান থেকে মানুষের শরীরের আরও কিছু বিচ্ছিন্ন অংশ খুঁজে পায় পুলিশ। সর্বশেষ সেখানে নাহিদা বৃষ্টির মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
ফ্লোরিডা পুলিশ বিভাগ নিহত বৃষ্টির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অন্যদিকে, জামিল লিমনের মরদেহ অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যা দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিশাম আবুঘরবের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার দুটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, নিহত জামিল লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশ ও নীতি বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। অপরদিকে, নাহিদা বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ডক্টরাল গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।