
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তামান্না আক্তার (২২)।
মামলার সূত্রে জানা যায়, নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৬৩) উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমেত গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, বসতঘর থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা এবং গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ফেরদৌসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই ঘর থেকে পুত্রবধূ তামান্নাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়, যাকে তখন একইভাবে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে তদন্তে বেরিয়ে আসে, তামান্নার পরকীয়া প্রেমিক শিপন মিয়ার সঙ্গে পরিকল্পনা করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ঘটনার দিন রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সুযোগ নিয়ে প্রেমিক ও তার সহযোগীরা বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাধা দিলে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীকে বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়।
ঘটনাটি চুরি হিসেবে প্রমাণ করতে তামান্নাকেও বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, তামান্নার স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পরে নিহতের স্বজনদের দায়ের করা মামলায় তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তামান্না আক্তার বলে জানিয়েছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোনায়েম মিয়া।