

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
চুনারুঘাটে বাড়ির বাগানের গাছকে রেমা–কালেঙ্গা বনাঞ্চলের গাছ হিসেবে দেখিয়ে লাকড়িবোঝাই একটি গাড়ি আটক করার অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার আশিক মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী হিসেবে অভিযোগকারী ফারুক মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নের গোয়াছপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মিরাশি ইউনিয়নের মহিরকোনা গ্রামের জাকারিয়া তালুকদারের বাড়ির বাগান থেকে দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে গাছ ক্রয় করেন। পরে সেগুলো হবিগঞ্জে নেওয়ার পথে বন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি গাড়িভর্তি লাকড়ি আটক করা হয়।
ফারুক মিয়ার দাবি, গাছ ক্রয়-বিক্রয়ের পক্ষে তার কাছে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিনামা রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের তিনজন সদস্যের দস্তখতও রয়েছে। গাছের মালিক জাকারিয়া তালুকদার জানান, তিনি নিজের জায়গার গাছই ফারুক মিয়ার কাছে বিক্রি করেছেন। একইভাবে সংশ্লিষ্ট তিনজন ইউপি সদস্যও গাছ বিক্রির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, কী কারণে বাড়ির বাগানের গাছকে বনাঞ্চলের গাছ হিসেবে দেখিয়ে আটক করা হলো। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডেপুটি রেঞ্জার আশিক মিয়ার বিরুদ্ধে এর আগেও গাছবাহী গাড়ি আটক করে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের গাজিনগর গ্রামের এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সানু মিয়া বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সাক্ষী হওয়ায় মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তিকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো এবং ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে বলে দাবি করা হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তদের