
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের মুন্সির হাট এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পোস্টার লাগিয়ে ভোলা-২ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ফজলুল করিমের পক্ষে গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় বিএনপির কর্মীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে রয়েছেন মেদুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মো. কবির, ছাত্রদলের সদস্য রাছেল এবং যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর আহত কর্মীদের মধ্যে মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ নাঈম ও ফরহাদকে চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দৌলতখান উপজেলা জামায়াতের আমির হাসান তারেক স্বপন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কর্মীরা উত্তেজনা সৃষ্টি করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সাজু বলেন, জামায়াত কর্মীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে লাঠির মাথায় পতাকা ও পোস্টার ব্যবহার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং সেখান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, পুলিশ ও নৌবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।