

আবু জাহের, মালদ্বীপ প্রতিনিধি:
মালদ্বীপের থিলাফুশি আইল্যান্ডে কর্মরত অবস্থায় দুইদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর ২৪ বছর বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক আমিন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে মালদ্বীপ পুলিশ।
দেশটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল দ্বীপ থিলাফুশির একটি ময়লার স্তুপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজধানী মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত আমিন মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী ইউনিয়নে। তিনি ইসমাইলের পুত্র বলে জানা গেছে।
একই দ্বীপে কর্মরত আবু আহমেদ সেলিম মিয়া জানান, প্রায় ছয় মাস আগে মালদ্বীপের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্পোরেশন লিমিটেড (ওয়েমকো) কোম্পানিতে কাজ করতে আসেন আমিন মিয়া। নিখোঁজ হওয়ার দিনও তিনি প্রতিদিনের মতোই কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তবে কাজের একপর্যায়ে তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরে কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার নিখোঁজের বিষয়টি মালদ্বীপ পুলিশকে অবগত করেন। দুইদিন ধরে অনুসন্ধানের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে থিলাফুশি আইল্যান্ডের ময়লার স্তুপের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সহকর্মীদের ধারণা, কাজের সময় ময়লা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি এক্সক্যাভেটরের সঙ্গে কোনো একসময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন আমিন মিয়া। এ ঘটনায় এক্সক্যাভেটর চালককে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মালদ্বীপ পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রাথমিক তদন্তে আমিন মিয়ার মৃত্যু নিখোঁজের দিন অথবা তার পরদিন ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত চলমান থাকায় বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
এ বিষয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কল্যাণ সহকারী মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রবাসী আমিন মিয়ার মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি সম্পর্কে হাইকমিশন অবগত রয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে মালদ্বীপ পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।