

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় আসছেন। এদিন তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মাঠে এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই জনসভার আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো শায়েস্তাগঞ্জজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
দলীয় সূত্র জানায়, এই জনসভাকে কেন্দ্র করে জেলা ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে বিএনপি।
জেলা বিএনপির নেতারা জানান, তারেক রহমান প্রথমে হজরত শাহজালাল (র.) ও হজরত শাহপরান (র.)–এর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন। তিনি বুধবার রাতে আকাশপথে সিলেটে পৌঁছাবেন। বৃহস্পতিবার সকালে মাজার জিয়ারত শেষে বেলা ১১টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। সেখানে কর্মসূচি শেষ করে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন এবং পথে শায়েস্তাগঞ্জের প্রস্তাবিত উপজেলা পরিষদ মাঠে বিকেলে এক বিশাল জনসভায় অংশ নেবেন।
জনসভাকে ঘিরে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জি কে গউছ বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠান। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রস্তুতি সম্পূর্ণ, মাঠ প্রস্তুত।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. এনামুল হক সেলিম বলেন, এই জনসভা হবে গণমানুষের শক্তির বহিঃপ্রকাশ। দলের চেয়ারম্যানের আগমনে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে গেছে।
অপর যুগ্ম আহ্বায়ক আহমুদুর রহমান আবদাল বলেন, গ্রাম-শহরজুড়েই আনন্দের ঢেউ। সবাই মাঠে আসতে মুখিয়ে আছেন। এ ধরনের রাজনৈতিক উৎসব খুবই বিরল।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন পর শীর্ষ নেতৃত্বের আগমন এলাকায় নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা ও কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে।
এদিকে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন জানান, জনসভাকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসন সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।