

নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি এই তথ্য জানান।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র জারি করা হচ্ছে এবং এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে সকল বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠকও সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য তিনটি। প্রথমত, নির্বাচনকে সামনে রেখে যেসব অবৈধ অস্ত্র মজুত বা সরবরাহ রয়েছে সেগুলো উদ্ধার করা। যেসব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব নয়, সেগুলো যেন কোনো ধরনের অপকর্মে ব্যবহৃত না হতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।
দ্বিতীয় লক্ষ্য হিসেবে তিনি বলেন, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা ও অপরাধ দমনে যৌথবাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
তৃতীয় লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি জানান, নির্বাচনকেন্দ্রিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের বড় ধরনের ঘটনা ঘটলে তা যৌথবাহিনী সরাসরি তদারকি করবে। ছোটখাটো আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়গুলো বিদ্যমান রুটিন কমিটিগুলো দেখবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনোভাবেই দুষ